আওয়ামী লীগ নেতাদের ভেতরের গৃহদাহ প্রকট হয়েছে। উপজেলা নির্বাচন ঘিরে এর মাত্রা আরও বেশি হয়েছে।দলীয় প্রতীক না থাকায় মন্ত্রী-সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের নেতারা। পাশাপাশি তাঁরা স্থানীয় রাজনীতিতে মন্ত্রী-সংসদ সদস্যদের হস্তক্ষেপের বিষয়টিও জোরালোভাবে কেন্দ্রের সামনে তুলে ধরেছেন।
অন্যদিকে চট্টগ্রামের তৃণমূলের নেতারা দলের বিভেদ কমানোর লক্ষ্য বিবেচনায় নিয়ে উপজেলার ভোটে দলীয়ভাবে একক প্রার্থী ঘোষণার দাবি তুলেছেন। জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের কোনো সিদ্ধান্ত দেননি। তবে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যসহ প্রভাবশালীদের কোনোরকম প্রভাব বিস্তার না করার কড়া বার্তা দেন তিনি।
গতকাল রোববার তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্ভুক্ত জেলা নেতা ও সংসদ সদস্যদের নিয়ে বৈঠক হয়। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা নির্বাচনে দলের একক প্রার্থী দেওয়ার পক্ষে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম জেলা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম, কক্সবাজারের সভাপতি ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, নোয়াখালী জেলা সভাপতি এ এইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরীসহ একাধিক নেতা।