স্বাধীনতার এ মাসে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে রাজধানীতে সমাবেশ করতে চায় বিএনপি। সোমবার রাতে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে নেতারা আলোচনা করেন বলে জানা গেছে।
গত বছরের ২৮ অক্টোবর ঢাকায় পুলিশের বাধায় মহাসমাবেশ কর্মসূচি পণ্ড হওয়ার পর এই প্রথম আবার সমাবেশের মতো কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামার পরিকল্পনা করছে দলটি।
ঢাকায় মহাসমাবেশ পণ্ড হওয়ার পর থেকেই সরকার পতনের এক দফার আন্দোলন শুরু করে বিএনপিসহ সমমনা রাজনৈতিক দল ও জোট। গত ৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন পর্যন্ত টানা আড়াই মাস হরতাল-অবরোধ করে তারা। তবে নির্বাচন-পরবর্তী বিভিন্ন ইস্যুতে লিফলেট বিতরণের মতো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ রয়েছে বিএনপি। সেখান থেকে সরে আসতে ধীরে ধীরে দলটি সমাবেশের কর্মসূচিতে যাওয়ার চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে।
স্থায়ী কমিটির বৈঠক সূত্রে জানায়, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস ঘিরে ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে একটি সমাবেশ করার বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের ব্যানারে এই সমাবেশ ২৬ মার্চের দু-এক দিন আগে বা পরে করতে চায় তারা। বৈঠকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।
জানা গেছে, স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে ইতোমধ্যে বিএনপি ১৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। আহ্বায়ক করা হয়েছে দলের ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম এবং সদস্য সচিব সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে। স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রমজানের পরে কী ধরনের কর্মসূচি দেওয়া যেতে পারে, তা নিয়ে মতামত এসেছে। বৈঠকে এক নেতা বলেন, রমজানে সাংগঠনিক কর্মসূচি হিসেবে ইফতার মাহফিল চলছে। কারামুক্ত নেতাদের বাসায় বাসায় গিয়ে তাদের পুনরুজ্জীবিত করা হচ্ছে। কিন্তু রমজানের পরে কী ধরনের কর্মসূচি নেওয়া যায়, তা নিয়ে এখনই ভাবা দরকার। নেতা-কর্মীকে চাঙ্গা রাখতে জনসম্পৃক্ত নানা কর্মসূচি দিতে হবে।