× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

‘তরুণদের আরেকবার জাগতে হবে’ আহ্বান জামায়াত আমিরের

ন্যাশনাল ট্রিবিউন প্রতিবেদক:

২১ অক্টোবর ২০২৬, ০০:৩০ এএম । আপডেটঃ ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০০:৩১ এএম

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ পুলিশের একজন অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শকের (ডিআইজি) নিজস্ব মালিকানাধীন বাসা থেকে মাদক উদ্ধার এবং অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে ৮৪ জন নারী-পুরুষকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। 

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় তিনি এ ঘটনাকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির প্রত্যক্ষ প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেন। বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি ও সামাজিক অবক্ষয় রুখতে দেশের তরুণ প্রজন্মকে 'আরেকবার জেগে ওঠার' উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াত আমির।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ওই বার্তায় শফিকুর রহমান বলেন, "স্বয়ং পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মালিকানাধীন বাড়িতে এ ধরনের অপকর্ম সংঘটিত হওয়ায় জনমনে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।" তিনি যোগ করেন, সাধারণ মানুষের জনদুর্ভোগ নিরসন ও অপরাধ দমনের পরিবর্তে সরকার এখন বিরোধী দলের চরিত্র হননেই বেশি ব্যস্ত রয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়াবহ রূপ তুলে ধরে স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি লেখেন, "হায় সেলুকাস! আমাদের এই বাংলাদেশ! তরুণদেরকে আরেকবার জাগতে হবে।"

ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানিয়ে একই দিনে জামায়াতে ইসলামীর প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের পৃথক এক বিবৃতিতে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, "পুলিশের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বাসভবনে এমন অনৈতিক ও বেআইনি কর্মকাণ্ড শুধু উদ্বেগজনকই নয়, বরং পুরো প্রশাসনের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক।" তিনি উক্ত বাড়ির মালিক অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহিরের বিরুদ্ধে অনতিবিলম্বে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মাদক ও অনৈতিকতার নেপথ্যে থাকা মূল পৃষ্ঠপোষকদের গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানান।

তদন্ত ও ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহিরের মালিকানাধীন ওই বহুতল ভবন থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য জব্দ করে এবং ঘটনাস্থল থেকে ৮৪ জন নারী-পুরুষকে গ্রেপ্তার করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে পরোক্ষ আশ্রয় বা সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে বর্তমানে প্রশাসনিক মহলে চরম তোলপাড় চলছে।

বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের অনিয়ন্ত্রিত ঊর্ধ্বগতি এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি উল্লেখ করে জাতীয় রাজনীতির এই শীর্ষ নেতা জানান, অপরাধ দমন ও সুশাসন নিশ্চিত না হলে দেশ আরও গভীর সংকটে নিপতিত হবে। বর্তমানে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ডিবি পুলিশের দায়ের করা মামলা তদন্তাধীন রয়েছে এবং ওই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থার সুপারিশ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

রিলায়েন্ট মিডিয়া

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.