বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বহুল আলোচিত এই নির্বাচনে তিনি ২৫৫টি ভোট পেয়ে বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী হন। অন্যদিকে, তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮টি ভোট। সংসদ সদস্যদের ভোটগ্রহণ ও গণনা প্রক্রিয়া শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদ সচিবালয় নির্ধারিত বুথে উৎসবমুখর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন প্রক্রিয়ার ভোটগ্রহণ পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ২টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদ সদস্যরা জাতীয় সংসদের ভেতরে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট প্রদান করেন।
বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করার পরপরই ভোট গণনার কাজ শুরু হয়। জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা যৌথভাবে এই গণনা প্রক্রিয়া পরিচালনা করেন।
গণনা শেষে মোট প্রদত্ত ভোটের ফলাফল ঘোষণা করেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন। এতে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে আসীন হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, "দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ভোটগ্রহণ বিকেল পাঁচটায় শেষ হয়েছে। এরপর জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তারা অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে ভোট গণনা কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন এবং গণনার ফল বিশ্লেষণ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।"
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এই ফলাফলের মধ্য দিয়ে দেশের নতুন রাষ্ট্রপ্রধান চূড়ান্ত হলো। নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ গ্রহণ ও দায়িত্বভার হস্তান্তরের বিষয়ে দ্রুতই বঙ্গভবন ও নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।