× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

নির্বাচনে হারলেও ‘উচ্চকক্ষে’ যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন প্রার্থীরা

ন্যাশনাল ট্রিবিউন প্রতিবেদক

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯:১৯ পিএম । আপডেটঃ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০:৫৭ পিএম

জাতীয় সংসদ ভবন। ছবি: সংগৃহীত

সদ্য সমাপ্ত গণভোটে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের প্রস্তাব বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ার পর এখন আলোচনার কেন্দ্রে ‘জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ’। বিশেষ করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীরা এই উচ্চকক্ষের সদস্য হতে পারবেন কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক গুঞ্জন চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, একটি বিশেষ বিধানের আওতায় এবারের নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের উচ্চকক্ষে যাওয়ার পথ উন্মুক্ত রাখা হচ্ছে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের নির্বাচন একই সঙ্গে হওয়ার কথা। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নিম্নকক্ষের নির্বাচন আগে হয়ে যাওয়ায় ত্রয়োদশ সংসদের জন্য একটি বিশেষ নিয়ম অনুসরণ করা হচ্ছে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দলগুলো চাইলে এবারের নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের উচ্চকক্ষের সদস্য পদে মনোনয়ন দিতে পারবে। তিনি স্পষ্ট করেন, “বিদ্যমান সংবিধানে উচ্চকক্ষের বিধান নেই এবং গণভোটের আগে বিষয়টি নিশ্চিত ছিল না। তাই এবারের জন্য এই শিথিলতা রাখা হচ্ছে। তবে চতুর্দশ সংসদ নির্বাচনে একই সঙ্গে উভয় কক্ষের প্রার্থী ঘোষণা করতে হবে, তখন আর একজন প্রার্থীর দুই কক্ষে লড়ার সুযোগ থাকবে না।”

‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) আদেশ, ২০২৫’ অনুযায়ী, উচ্চকক্ষ হবে ১০৫ সদস্যবিশিষ্ট। এর গঠন প্রক্রিয়া হবে নিম্নরূপ:

  • ১০০ জন সদস্য: সাধারণ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের আনুপাতিক হারে দলীয় মনোনয়নে নির্বাচিত হবেন।


  • ৫ জন সদস্য: রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী বা বিশেষজ্ঞ।


সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংবিধান সংশোধনের কাজ শেষ করবে। এর পরবর্তী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে, যার মেয়াদ থাকবে চলতি সংসদের শেষ কার্যদিবস পর্যন্ত।

উচ্চকক্ষ গঠিত হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের আইনসভা দীর্ঘ প্রতীক্ষিত দ্বিকক্ষবিশিষ্ট রূপ পাবে। এই কক্ষের প্রধান কাজ হবে নিম্নকক্ষে পাস হওয়া আইনগুলো পর্যালোচনা ও পুনর্বিবেচনা করা। বিশেষ করে সাংবিধানিক সংশোধনীর ক্ষেত্রে উচ্চকক্ষের বিশেষ ভেটো বা পর্যালোচনার ক্ষমতা থাকবে। তবে উচ্চকক্ষ সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে পারবে না।

উল্লেখ্য যে, নতুন সংস্কার অনুযায়ী জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা হবে ৫০৫টি। এর মধ্যে ৪০০টি আসন হবে নিম্নকক্ষের। এই ৪০০ আসনের মধ্যে ৩০০টি সাধারণ আসনে সরাসরি ভোট হবে এবং বাকি ১০০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। তবে সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যরাও নির্দিষ্ট নির্বাচনি এলাকা থেকে সরাসরি ভোটের মাধ্যমেই নির্বাচিত হবেন।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.