দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রতীক্ষা শেষে জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের ঐতিহাসিক মুহূর্তকে সামনে রেখে প্রকাশিত হয়েছে নতুন গান ‘ভোট উৎসব’। দেশে গণতন্ত্রের সুবাতাস ছড়িয়ে দিতে এবং আসন্ন নির্বাচনকে একটি আনন্দমুখর উৎসবে পরিণত করার লক্ষ্যেই এই বিশেষ সংগীতায়োজন করা হয়েছে।
‘ভোট উৎসব’ গানটির মূল উপজীব্য হলো নাগরিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ। এতে ভোটাধিকার প্রয়োগকে কেবল একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া নয়, বরং একটি শুভ ও আনন্দময় সামাজিক উৎসব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই গানটি সাধারণ মানুষকে ভোটকেন্দ্রমুখী করতে এবং দেশে ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে গানটি বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৫০টিরও বেশি ডিজিটাল স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে উন্মুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে Spotify, Apple Music, YouTube Music, Amazon Music এবং Deezer-এর মতো শীর্ষস্থানীয় মাধ্যমগুলো। পাশাপাশি ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকের মতো জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়ায় রিলস হিসেবে ব্যবহার করার সুবিধাও রাখা হয়েছে, যাতে তরুণ প্রজন্মের কাছে গানটি সহজেই পৌঁছাতে পারে।
গানটিতে কণ্ঠ ও সুর দিয়েছেন প্রখ্যাত শিল্পী পাঞ্জেরী, যেখানে সহশিল্পী হিসেবে দেশজ আমেজ নিয়ে যুক্ত হয়েছেন কুদ্দুস বয়াতি। কে এম নাজমুল হক ও পাঞ্জেরীর যৌথ রচনায় গানটির কোরাসে অংশ নিয়েছেন পূর্ণয়, মুশফিক, রায়হান, ফয়জুর ও জিসান।
পুরো প্রজেক্টটির সৃজনশীল নির্দেশনায় ছিলেন দিপু জামান এবং মোশন ডিজাইনে কাজ করেছেন হাসিবুল হাসান পরশ। কে এম নাজমুল হকের নির্দেশনায় গানটি প্রযোজনা করেছেন এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন মামুন উর রশিদ, মারুফ ও লোবা আহমেদ।
গানটির প্রযোজনা সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ‘ভোট উৎসব’ কেবল একটি দলীয় গান নয়; বরং এটি নাগরিক দায়িত্ববোধ এবং গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার এক সাংস্কৃতিক বহিঃপ্রকাশ। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরিতে এই গানটি দেশজুড়ে অনুপ্রেরণা জোগাবে।