জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম রূপকার ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয় ১৬ লাখ টাকা। ঢাকা-১১ আসন থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হিসেবে জমা দেওয়া হলফনামায় তিনি এই তথ্য উল্লেখ করেছেন। হলফনামা অনুযায়ী, ২৭ বছর বয়সী এই তরুণ রাজনীতিবিদের নিজের নামে কোনো বাড়ি, গাড়ি বা স্থাবর সম্পত্তি নেই।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় নাহিদ ইসলাম নিজের পেশা হিসেবে ‘পরামর্শক’ উল্লেখ করেছেন। স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রিধারী এই প্রার্থীর সর্বশেষ আয়কর রিটার্নে বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ১৩ লাখ ৫ হাজার ১৫৮ টাকা। তবে হলফনামায় তাঁর বর্তমান বার্ষিক আয় ১৬ লাখ টাকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আয়ের বিপরীতে তিনি ১ লাখ ১৩ হাজার ২৭৪ টাকা আয়কর প্রদান করেছেন।
নাহিদের মোট অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩০ লাখ টাকা। এর মধ্যে প্রধান অংশই হচ্ছে নগদ ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া ব্যাংকে জমা আছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। গয়না বাবদ ৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং ইলেকট্রনিক ও আসবাবপত্র মিলিয়ে তাঁর ২ লাখ ৭০ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে।
নাহিদের স্ত্রীর নামে ১৫ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ (নগদ ও গয়না) থাকলেও স্বামীর নামে কোনো ঋণ নেই। তবে তাঁর স্ত্রী একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছেন বলে হলফনামায় জানানো হয়েছে।
নাহিদ ইসলাম ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেন। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগের পর তিনি নবগঠিত দল এনসিপির আহ্বায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এবার ঢাকা-১১ (খিলগাঁও-রামপুরা-বাড্ডা) আসন থেকে সংসদ সদস্য পদে লড়ছেন তিনি।