সরকার পতনের পরবর্তী পরিস্থিতিতে দেশের কোনো ধরনের নৈরাজ্যের সঙ্গে তার বিএনপির কোনো নেতা-কর্মী ‘জড়িত নন’ বলে দাবি করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ছাত্র-জনতার অর্জিত বিজয় একটি মহল ‘নস্যাতের ষড়যন্ত্র করছে’ বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
ফখরুল বলেন, “কিছু সংখ্যক ব্যক্তি বিভিন্ন অঞ্চলে গোলোযোগ সৃষ্টি করে আমাদের দলের নেতা-কর্মীদের ওপরে অন্যায়ভাবে হামলা করার চেষ্টা করছে।
“আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, আমাদের দলের কোনো নেতা-কর্মী কোনোভাবে গোলযোগের সাথে জড়িত নয়। উপরন্ত আমরা চেষ্টা করছি সেটাকে বন্ধ করার। এজন্য সকলকে সজাগ থাকতে হবে।”
সোমবার দুপুরে শেরেবাংলা নগরে বিএনপি জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ফখরুল।
তিনি বলেন, “আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমরা একটা নতুন বাংলাদেশ চাই। আমরা চাই, একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ, সাম্য, সমঅধিকার, ন্যায় বিচারকে প্রতিষ্ঠিত করে আমরা এই নতুন বাংলাদেশ গঠন করতে চাই।”
ফখরুলের ভাষ্য, অর্জিত বিজয়কে সুসংহত রাখার শপথ নিয়েছেন তারা।
তিনি বলেন, “আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি হয়েছে, তিনি মুক্ত হয়েছে, অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ যারা এই গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বন্দি হয়েছেন তাদের মুক্তি কিছু হয়েছে, কিছু বাকি আছে। আমরা সবগুলো মুক্তির জন্য ব্যবস্থা করছি।”
জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বেলা সাড়ে ১২টায় দলের সভাপতি এসএম জিলানি ও সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসানের নেতৃত্বে নেতা-কর্মীরা জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এই সময়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সস্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, সহ স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সস্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক, মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রশীদ হাবিব, কৃষক দলের সভাপতি হাসান জাফির তুহিন, ম্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহসভাপতি ইয়াসীন আলী, সাংগঠনিক সস্পাদক নাজমুল হাসানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।