শরৎ মানে নীল আকাশের গায়ে যেন মেঘ-তুলার ওড়াউড়ি!
শরৎ এলেই শুভ্র তুলার মতো কাশফুলে ছেয়ে যায় চারপাশ। ঘ্রাণহীন এ ফুলের আছে ভিন্ন এক রূপ। প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে তাই শরৎ মানেই কাশফুল। কাশফুলের দেখার মুহূর্ত মুঠোফোনের ক্যামেরায় বন্দী করছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী।
রাস্তা পার হয়ে জলাভূমির দিকে যাচ্ছে একটি কচ্ছপ।
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দ্রুতগতির লেনেও ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ধীরগতির যানবাহন।
কাজের অপেক্ষায় দিনমজুরেরা। কাজ পেলেই কোদাল আর টুকরি নিয়ে যে যাঁর মতো করে কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
বর্ষার পর এ সময়ে চরাঞ্চলে মাছ ধরার চাঁইয়ের চাহিদা থাকে বেশি। মাগুরা থেকে চাঁই কিনে বাড়ি ফিরছেন এক ব্যক্তি।
মাছ শিকারে ব্যস্ত জেলে।
দুপুরে হঠাৎ নামা ঝুম বৃষ্টিতে চলাচলকারী অনেকেই ভোগান্তিতে পড়েন।
ধরা পড়া মাছগুলো বাছাই করা হচ্ছে।
গ্রামে গ্রামে এখন চলছে আউশ ধান তোলার মৌসুম। খেত থেকে আউশ ধান কেটে এনে বাড়ির উঠানে জড়ো করে রাখছেন কৃষক।
উজ্জ্বল লাল জবা ফুল।
নিচু এলাকা বা জলাশয়ে জমা পানিতে জাগ দেওয়ার জন্য মহিষের গাড়ি থেকে নামানো হচ্ছে পাট।
লাইফ জ্যাকেট ছাড়া ঝুঁকি নিয়ে স্পিডবোটে গন্তব্যে যাচ্ছে যাত্রীরা।
বিলের জলে ফুটেছে পদ্মফুল। এমন স্বাদুপানিতে সাঁতার আর ডুব দিয়ে খাবার খায় জলচর পাখি ছোট ডুবুরি। দেশের হাওর–বাঁওড়, বিল, হ্রদ ও স্রোতবিহীন নদীতে আবাসিক পাখিটি একসময় অনেক দেখা গেলেও বর্তমানে দেখা পাওয়া কঠিন।
সামনে দুর্গাপূজা উপলক্ষে নানা রকমের মাটির থালাবাসন তৈরিতে ব্যস্ত কুমাররা। বাসন তৈরি করে রোদে শুকাতে দিচ্ছেন কুমার।
কয়েক দিন আগেও গুমোট যে আকাশ ছিল কালো মেঘে ঢাকা, প্রকৃতির পালাবদলে তা এখন শুভ্র মেঘের দখলে। নীলাকাশে মেঘের এ রূপ জানান দেয় এসে গেছে শরৎকাল। তবে ভাদ্রের ভ্যাপসা গরমে শান্তি পেতে থেমে নেই জলের বুকে শিশু-কিশোরদের দুরন্তপনা।
পাকা সোনালি ধান বন্যার পানিতে তলিয়ে ছিল বেশ কিছুদিন। ধীরে ধীরে পানি কমলেও এখনো রয়ে গেছে হাঁটুসমান পানি। পচে যাওয়ার ভয়ে দ্রুত ধান কেটে বাড়ি ফিরছেন কৃষক।
জমি থেকে কলা কেটে বিক্রি করতে নিয়ে যাচ্ছেন এই চাষি।
বিশেষ যন্ত্র দিয়ে তৈরি করা পাটের দড়ি রোদে শুকাতে দিচ্ছেন। শুকানো শেষে প্রতি কেজি দড়ি বিক্রি হয় ২৫০ টাকায়।
ঘেরের পাশে চাষ করা করলা বিক্রির জন্য বস্তায় ভরছেন কিষান-কিষানিরা। গতকাল আড়তে করলা বিক্রি করেছেন ৩০ টাকা প্রতি কেজি।
১ / ২০
-66d5f351d2186.jpg)
শরৎ মানে নীল আকাশের গায়ে যেন মেঘ-তুলার ওড়াউড়ি! শেখঘাট। ছবি—সংগৃহীত
২ / ২০
-66d5f35908815.jpg)
শরৎ এলেই শুভ্র তুলার মতো কাশফুলে ছেয়ে যায় চারপাশ। ঘ্রাণহীন এ ফুলের আছে ভিন্ন এক রূপ। প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে তাই শরৎ মানেই কাশফুল। কাশফুলের দেখার মুহূর্ত মুঠোফোনের ক্যামেরায় বন্দী করছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশের পাহাড়, কুমিল্লা। ছবি—সংগৃহীত
৩ / ২০
-66d5f3609e20c.jpg)
রাস্তা পার হয়ে জলাভূমির দিকে যাচ্ছে একটি কচ্ছপ। ইন্দ্রপুর, শ্রীপুর, গাজীপুর। ছবি—সংগৃহীত
৪ / ২০
-66d5f36a18ae6.jpg)
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দ্রুতগতির লেনেও ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ধীরগতির যানবাহন। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকা, নারায়ণগঞ্জ। ছবি—সংগৃহীত
৫ / ২০
-66d5f3734ffeb.jpg)
কাজের অপেক্ষায় দিনমজুরেরা। কাজ পেলেই কোদাল আর টুকরি নিয়ে যে যাঁর মতো করে কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। শিবগঞ্জ, সিলেট। ছবি—সংগৃহীত
৬ / ২০
-66d5f37cddad4.jpg)
বর্ষার পর এ সময়ে চরাঞ্চলে মাছ ধরার চাঁইয়ের চাহিদা থাকে বেশি। মাগুরা থেকে চাঁই কিনে বাড়ি ফিরছেন এক ব্যক্তি। পশ্চিম গোয়ালচামট, ফরিদপুর। ছবি—সংগৃহীত
৭ / ২০
-66d5f387f2890.jpg)
মাছ শিকারে ব্যস্ত জেলে। পিঠাকরা হাওর, সিলেট। ছবি—সংগৃহীত
৮ / ২০
-66d5f39235080.jpg)
দুপুরে হঠাৎ নামা ঝুম বৃষ্টিতে চলাচলকারী অনেকেই ভোগান্তিতে পড়েন। সিঅ্যান্ডবি রোড, বরিশাল নগর। ছবি—সংগৃহীত
৯ / ২০
-66d5f39ae7391.jpg)
ধরা পড়া মাছগুলো বাছাই করা হচ্ছে। পিঠাকরা হাওর, সিলেট। ছবি—সংগৃহীত
১০ / ২০
-66d5f3a4d60eb.jpg)
গ্রামে গ্রামে এখন চলছে আউশ ধান তোলার মৌসুম। খেত থেকে আউশ ধান কেটে এনে বাড়ির উঠানে জড়ো করে রাখছেন কৃষক। বৌঘাটা, কৈজুরী, ফরিদপুর। ছবি—সংগৃহীত
১১ / ২০
-66d5f3adec53d.jpg)
উজ্জ্বল লাল জবা ফুল। থুকড়া, ডুমুরিয়া, খুলনা। ছবি—সংগৃহীত
১২ / ২০
-66d5f3b6da9f2.jpg)
নিচু এলাকা বা জলাশয়ে জমা পানিতে জাগ দেওয়ার জন্য মহিষের গাড়ি থেকে নামানো হচ্ছে পাট। আটঘরিয়া, পাবনা। ছবি—সংগৃহীত
১৩ / ২০
-66d5f3c387a43.jpg)
লাইফ জ্যাকেট ছাড়া ঝুঁকি নিয়ে স্পিডবোটে গন্তব্যে যাচ্ছে যাত্রীরা। চরমোনাই সেতু, চরমোনাই, বরিশাল। ছবি—সংগৃহীত
১৪ / ২০
-66d5f3ccdd638.jpg)
বিলের জলে ফুটেছে পদ্মফুল। এমন স্বাদুপানিতে সাঁতার আর ডুব দিয়ে খাবার খায় জলচর পাখি ছোট ডুবুরি। দেশের হাওর–বাঁওড়, বিল, হ্রদ ও স্রোতবিহীন নদীতে আবাসিক পাখিটি একসময় অনেক দেখা গেলেও বর্তমানে দেখা পাওয়া কঠিন। দিকশীর বিল, চাটমোহর, পাবনা। ছবি—সংগৃহীত
১৫ / ২০
-66d5f3da2e1f3.jpg)
সামনে দুর্গাপূজা উপলক্ষে নানা রকমের মাটির থালাবাসন তৈরিতে ব্যস্ত কুমাররা। বাসন তৈরি করে রোদে শুকাতে দিচ্ছেন কুমার। দক্ষিণ মমিনপুর, রংপুর। ছবি—সংগৃহীত
১৬ / ২০
-66d5f3e5c0d7b.jpg)
কয়েক দিন আগেও গুমোট যে আকাশ ছিল কালো মেঘে ঢাকা, প্রকৃতির পালাবদলে তা এখন শুভ্র মেঘের দখলে। নীলাকাশে মেঘের এ রূপ জানান দেয় এসে গেছে শরৎকাল। তবে ভাদ্রের ভ্যাপসা গরমে শান্তি পেতে থেমে নেই জলের বুকে শিশু-কিশোরদের দুরন্তপনা। দ্বীপচর, পাবনা। ছবি—সংগৃহীত
১৭ / ২০
-66d5f3f43124b.jpg)
পাকা সোনালি ধান বন্যার পানিতে তলিয়ে ছিল বেশ কিছুদিন। ধীরে ধীরে পানি কমলেও এখনো রয়ে গেছে হাঁটুসমান পানি। পচে যাওয়ার ভয়ে দ্রুত ধান কেটে বাড়ি ফিরছেন কৃষক। রতনপুর, কুমিল্লা। ছবি—সংগৃহীত
১৮ / ২০
-66d5f3fe5be03.jpg)
জমি থেকে কলা কেটে বিক্রি করতে নিয়ে যাচ্ছেন এই চাষি। শিবপুর, রংপুর। ছবি—সংগৃহীত
১৯ / ২০
-66d5f40713e1f.jpg)
বিশেষ যন্ত্র দিয়ে তৈরি করা পাটের দড়ি রোদে শুকাতে দিচ্ছেন। শুকানো শেষে প্রতি কেজি দড়ি বিক্রি হয় ২৫০ টাকায়। বালাচড়া। ছবি—সংগৃহীত
২০ / ২০

ঘেরের পাশে চাষ করা করলা বিক্রির জন্য বস্তায় ভরছেন কিষান-কিষানিরা। গতকাল আড়তে করলা বিক্রি করেছেন ৩০ টাকা প্রতি কেজি। গফফার সড়ক, ডুমুরিয়া, খুলনা। ছবি—সংগৃহীত
বিষয় : একপলক
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন
যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574
ই-মেইল: [email protected]
ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭
© 2026 National Tribune All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh
