× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

একপলক

একপলক [২৯ আগস্ট ২০২৪]

২৯ আগস্ট ২০২৪, ১৬:১৯ পিএম । আপডেটঃ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৪:১৩ পিএম


১ / ২২

 

ফোম দিয়ে তৈরি হরেক রঙের খেলনা পাখি নিয়ে যাচ্ছেন বিক্রেতারা। গ্রামে গ্রামে খেলনাগুলো বিক্রি করবেন তাঁরা। তিস্তা সড়ক সেতু, কাউনিয়া, রংপুর। ছবি—সংগৃহীত


২ / ২২

 

নদী থেকে বালু উত্তোলনের পর ঝুড়িতে করে এনে রাখছেন এক শ্রমিক। সারিঘাট, জৈন্তাপুর, সিলেট। ছবি—সংগৃহীত



৩ / ২২

 

আড়তে মাছ কিনতে এসেছেন খুচরা বিক্রেতারা। নানা প্রজাতির মাছ ঘিরে চলছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের দরদাম। কাজিরবাজার মাছের আড়ত, সিলেট। ছবি—সংগৃহীত


৪ / ২২

 

তিস্তা নদীতে চর জেগেছে। সেখানে মাছ ধরছেন জেলেরা। বালাপাড়া, কাউনিয়া, রংপুর। ছবি—সংগৃহীত


৫ / ২২


বাড়িতে সেমাই তৈরি করে শুকাতে দিয়েছেন আবদুল জলিল। স্থানীয় ভাষায় একে বলা হয় ‘চাপা সেমাই’। শুকানো শেষে প্রতি কেজি চাপা সেমাই বিক্রি করবেন ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। বল্লভবিষু, কাউনিয়া, রংপর। ছবি—সংগৃহীত


৬ / ২২


হাটে বিক্রির জন্য নতুন পাট সাজিয়ে রাখছেন কৃষকেরা। প্রতি মণ পাট বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকায়। তকিপলবাজার, কাউনিয়া, রংপুর। ছবি—সংগৃহীত


৭ / ২২


কুঁচিয়া ধরার ফাঁদ তৈরি করছেন এক মৎস্যজীবী। দরবস্ত এলাকা, জৈন্তাপুর ,সিলেট। ছবি—সংগৃহীত


৮ / ২২


বিক্রির উদ্দেশ্যে প্লাস্টিকের ড্রাম ফেরি করছেন এক ব্যক্তি। বাসাবাড়িতে পানি কিংবা শস্য রাখতে ব্যবহার করা হয় এসব ড্রাম। কাজিরবাজার, সিলেট। ছবি—সংগৃহীত


৯ / ২২


টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ঘের ও পুকুর থেকে বেরিয়ে গেছে চাষের মাছ। মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীতে সেসব মাছ ধরতে ব্যস্ত জেলেরা। মেঘনার ডাকাতিয়া মোহনা, চাঁদপুর। ছবি—সংগৃহীত


১০ / ২২


গোমতী নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে কুমিল্লার বেশ কয়েকটি উপজেলা। বড় দশিয়া গ্রাম, ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা। ছবি—সংগৃহীত


১১ / ২২


গাছের শুকনা ডালে বসে আছে ফড়িং। শ্রীপুর, গাজীপুর। ছবি—সংগৃহীত


১২ / ২২


পাহাড়ে উৎপাদিত জাম্বুরা পাইকারি দরে কিনেছেন এক ফল ব্যবসায়ী। ট্রাকে করে সেগুলো নিয়ে যাবেন কুমিল্লার নিমসার বাজারে। ডুলুপাড়া এলাকা, কুহালং, বান্দরবান। ছবি—সংগৃহীত


১৩ / ২২


স্বরূপকাঠি এলাকায় রয়েছে অনেক নার্সারি। সেখান থেকে বিভিন্ন জাতের চারা গাছ সরবরাহ হয় দেশের নানা স্থানে। অলংকারকাঠি, নেছারাবাদ, পিরোজপুর। ছবি—সংগৃহীত


১৪ / ২২


বর্ষায় খাল-বিলে বেড়েছে পানি। নৌকায় ঘুরে খালের বিভিন্ন অংশে মাছ ধরার ফাঁদ পাতছেন একজন মৎস্যশিকারি। সল্পসেনা, ঝালকাঠি। ছবি—সংগৃহীত


১৫ / ২২


পাহাড়ে উৎপাদিত মরিচ বাজারে এনেছেন এক বিক্রেতা। স্থানীয় ভাষায় একে বলে—‘গুঁড়ি মরিচ’, ‘জুম মরিচ’ বা ‘ধান্নো মরিচ’। হালকা সুগন্ধিযুক্ত এ মরিচের বেশ চাহিদা রয়েছে। রাঙামাটি শহরের বাজারে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৭২০ টাকায়। দেওয়ান পাড়া, রাঙামাটি। ছবি—সংগৃহীত


১৬ / ২২


চরকায় সুতা কাটছেন জীবন নেছা। এ কাজ করে প্রতি মাসে সাড়ে তিন হাজার থেকে চার হাজার টাকা আয় করেন তিনি। তাতেই চলে সংসার। শেখাহার গ্রাম, কাহালু, বগুড়া। ছবি—সংগৃহীত


১৭ / ২২


বর্ষায় ফুটেছে কদম ফুল। শেখাহার গ্রাম, কাহালু, বগুড়া, ২৯ আগস্ট। ছবি—সংগৃহীত


১৮ / ২২


বন্যার পানি কিছুটা নামার পর ঘরের কাপড় রোদে শুকাতে দিচ্ছেন দুর্গত এলাকার মানুষ। লালপোল এলাকা, ফেনী। ছবি—সংগৃহীত


১৯ / ২২


বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে বিনা মূল্যে নাবি আমন ধানের চারা বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। প্রথম ধাপে কৃষিতত্ত্ব বিভাগের গবেষণা মাঠের বিনা ধান-১৭-এর বীজ বপন শুরু করেছেন তাঁরা। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ। ছবি—সংগৃহীত


২০ / ২২


মাঠ থেকে গবাদিপশুর খাবারের জন্য ঘাস সংগ্রহ করে বাড়ি ফিরছেন এক গৃহবধূ। যাত্রাবাড়ী এলাকা, কৃষ্ণপুর, ফরিদপুর। ছবি—সংগৃহীত


২১ / ২২


হস্তচালিত তাঁতে লুঙ্গি বোনা হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে দু-এক ঘরে এখনো এই তাঁতের লুঙ্গি তৈরি হয়। যন্ত্রের তাঁতের চেয়ে হস্তচালিত তাঁতের লুঙ্গির দাম বেশি হলেও এই লুঙ্গি টেকসই হয় অনেক বছর। চাঁচকিয়া, আটঘরিয়া, পাবনা। ছবি—সংগৃহীত


২২ / ২২


ফারাক্কা বাঁধের সব গেট খুলে দেওয়ার পর দেখা দিয়েছিল বন্যার আতঙ্ক। বাঁধ খুলে দেওয়ায় পদ্মার পানি কিছুটা বাড়লেও তা বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, ঈশ্বরদী, পাবনা। ছবি—সংগৃহীত

বিষয় : একপলক

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.