বাংলাদেশের সমুদ্র বন্দরের সঙ্গে একটি ট্রেডিং করিডোর নির্মাণ করে এই অঞ্চলের সমুদ্র বাণিজ্যের বন্দর ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব নিয়ে এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশ কাতার।
সোমবার বিকালে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করেছে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। সেখানে তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবউদ্দিন।
রাতে ঢাকার একটি হোটেলে কাতারি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দলের বৈঠক হয়।
বৈঠক শেষে সালমান এফ রহমান বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির উপায়গুলো খুঁজে বের করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আজকে ট্রেড অ্যান্ড কমার্স, বিনিয়োগ ও ব্যবসা বাণিজ্য নিয়ে কথা বলেছি।
তারা বাংলাদেশে একটা ট্রেডিং করিডোর পাওয়ার বিষয়ে চিন্তা করছে।
বলেছে, তোমাদের বন্দরটা আমরা দেখতে চাই। এখানে একটা ট্রেডিং করিডোর সৃষ্টি করা যায় কি না সেই সম্ভাবনা দেখব।
কাতারে একটা বিরাট বন্দর অলরেডি করেছে। সেখানে বন্দরকে ঘিরে একটা অর্থনৈতিক অঞ্চলও করেছে। সেই বন্দর এখনও আন্ডার ইউটিলাইজ (পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগানো যাচ্ছে না)।
কাতারি প্রতিনিধি দলের বক্তব্যের বরাত দিয়ে সালমান বলেন, সমুদ্র বাণিজ্য নিয়ে বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে পরিকল্পনাগুলো এমন সমান্তরাল ভাবেই বাস্তবায়নের দিকে যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক সমুদ্রে বাণিজ্যে যুক্ত হওয়া ও ট্রেডিং বাণিজ্যের সুবিধা বাড়াতে কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপে ১৮ মিটার গভীরতার কৃত্রিম চ্যানেল নির্মাণ করে আরেকটি গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
মহেশখালীতে একটি বাণিজ্যিক হাব সৃষ্টি করতে একটি কর্তৃপক্ষ গঠন করার অংশ হিসাবে মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা মিডা গঠনের প্রস্তাবও মন্ত্রিসভায় পাশ হয়েছে।