× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

জিম্মি জাহাজে খাবারের অভাব হবে না

জলদস্যুদের আশ্বাস

ন্যাশনাল ট্রিবিউন রিপোর্ট

২১ মার্চ ২০২৪, ০৯:৩৯ এএম । আপডেটঃ ২১ মার্চ ২০২৪, ০৯:৩৯ এএম

ছবি: সংগৃহীত

জিম্মি থাকা ‘এমভি আবদুল্লাহ’ জাহাজে খাবার ও পানির সংকট হবে না। প্রয়োজন অনুযায়ী এর ব্যবস্থা করবে জলদস্যুরা। তারা এমন আশ্বাস দিয়েছে জাহাজটির মালিকপক্ষকে। 

গত মঙ্গলবার জাহাজটি যখন সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবলে পড়ে, তখন সেটিতে ২৫ দিনের খাবার ও পানি মজুদ ছিল।

গত ১০ দিন সেই খাবার ও পানিতে ভাগ বসিয়েছে জলদস্যুরাও। তাই দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছিল খাবার ও পানি। এখন আর ৫ থেকে ৬ দিনের খাবার ও পানি মজুদ আছে বলে জানিয়েছেন নাবিকরা। 

এগুলো ফুরিয়ে গেলে কি হবে, তা নিয়ে স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ছিলো। উৎকণ্ঠায় ছিলো জিম্মিরাও। জলদস্যুদের সঙ্গে যোগাযোগ হওয়ার পর দূর হয়েছে সেই উৎকণ্ঠা। কারণ, জলদস্যুরা আশ্বাস দিয়েছে, খাবার ও পানির কোনো সংকট হবে না জাহাজে। প্রয়োজন মত উপকূল থেকে এটির ব্যবস্থা করবে তারা।

জানতে চাইলে জাহাজের মালিকপক্ষের মুখপাত্র ও কেএসআরএমের গণমাধ্যম উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম বলেন, ‘নাবিকদের সঙ্গে আমাদের আজও যোগাযোগ হয়েছে। জিম্মি থাকলেও তারা সবাই সুস্থ আছেন। এখন জাহাজে যে খাবার ও পানি আছে, তা বেশি দিন যাবে না। কিছুদিনের মধ্যে এটা ফুরিয়ে যাবে। তবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে জলদস্যুরা উপকূল থেকে এনে প্রয়োজন মেটাবে বলে আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।’ 

জানা গেছে, খাবার ও পানি পাঠাতে কেনিয়াতে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতের সাহায্য চেয়েছে জাহাজের মালিকপক্ষ। বীমা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে তারা। বীমা প্রতিষ্ঠান আবার মাধ্যম হিসেবে খুঁজছে মধ্যস্থতাকারী কোনো পক্ষকে; যাদের সঙ্গে জলদস্যুদের যোগাযোগ আছে। তবে জলদস্যুরা এখন সরাসরি যোগাযোগ করায় ব্যাপারটা সহজ হয়ে গেছে। 

বুধবার প্রথম দিনের আলোচনাতেই এ প্রসঙ্গটি তুলে ধরে জাহাজটির মালিকপক্ষ। জাহাজে রান্না, গোসল ও পান করার জন্য বিশুদ্ধ পানি মজুদ রাখা হয়। জাহাজভেদে প্রতিদিন ৩ থেকে ৫ টন পানি লাগে।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.