× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, ২০২৯ সালে নতুন ভবনে চালুর লক্ষ্য মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

ন্যাশনাল ট্রিবিউন প্রতিবেদক:

১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১০ এএম । আপডেটঃ ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৮ এএম

রোববার বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক। ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

বাংলাদেশ সচিবালয় রাজধানীর আবদুল গণি রোড থেকে সরিয়ে শেরেবাংলা নগরে (পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে) স্থানান্তরের পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। আগামী ২০২৯ সালের মধ্যে নতুন এই প্রশাসনিক চত্বরে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে স্থানান্তরের এই প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন লাভ করে।

বৈঠক শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, রাজধানীর প্রশাসনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি, যানজট হ্রাস এবং আধুনিক কর্মপরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক নীতিগত সভায় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, গণপূর্ত অধিদপ্তর ও স্থাপত্য অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই উদ্যোগের প্রাথমিক রূপরেখা অনুমোদন পায়।

নিয়মানুযায়ী, সচিবালয় স্থানান্তরের এই মেগাপ্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত করতে পরিকল্পনা কমিশনকে প্রয়োজনীয় চিঠি পাঠানো হয়েছে। স্থানান্তরের ফলে বর্তমানে আবদুল গণি রোডের ওপর যে তীব্র যানজট ও প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি হয়, তা অনেকাংশেই নিরসন হবে বলে আশা প্রকাশ করছে সরকার।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি বলেন, "নাগরিক সেবা সহজীকরণ এবং আধুনিক ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে একটি পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক অবকাঠামো দরকার। শেরেবাংলা নগরে প্রস্তাবিত নতুন ভবনটি সরকারের দীর্ঘমেয়াদি প্রশাসনিক সংস্কার ও সমন্বিত পরিকল্পনারই প্রতিফলন।"

বর্তমানে বাংলাদেশ সচিবালয় প্রায় শতবর্ষী ও একাধিক বিচ্ছিন্ন ভবনে বিস্তৃত থাকায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দৈনন্দিন সমন্বয়ে প্রায়ই বিলম্ব ঘটে। শেরেবাংলা নগরে একটি সুবিশাল ও সুপরিকল্পিত চত্বরে সমস্ত প্রশাসনিক দপ্তর একত্রিত করা হলে অন্তর্বর্তী সংযোগ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহুগুণ জোরদার হবে বলে মনে করছেন গণপূর্ত ও প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞরা।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ ও নকশা চূড়ান্ত করার পর খুব শীঘ্রই শেরেবাংলা নগরের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে নতুন ভবন নির্মাণের ভৌত কাজ শুরু হবে। ২০২৯ সালের মধ্যে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পুরো নতুন সচিবালয় চালু করাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

রিলায়েন্ট মিডিয়া

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.