× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে জাতিসংঘের জোরালো ভূমিকা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাসস

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:৫১ পিএম । আপডেটঃ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:৫২ পিএম

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬। ছবি: পিএমও

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বাংলায় দেওয়া তাঁর প্রথম ঐতিহাসিক ভাষণে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

রাষ্ট্রের নাগরিকদের ক্ষমতাহীন রেখে কোনো রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র, সুশাসন, জবাবদিহি ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার মাধ্যমেই কেবল টেকসই উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। দেশের বিশাল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর এবং বাংলাদেশকে একটি বৈশ্বিক ‘ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন তিনি।

অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, “সরকার শুধু ভোটের গণতন্ত্র নয়, অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ণ নিশ্চিত করতে চায়, যাতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির সুফল প্রতিটি পরিবার ও নাগরিকের কাছে পৌঁছায়।” নারীশিক্ষা, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরিতে ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালুর কথা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবারের নারী প্রধানের নামে ইস্যু করা ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের শক্তিশালী প্রতীক।

শিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরে শিক্ষা খাতে জিডিপির বরাদ্দ ৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে। এ সময় প্রযুক্তি খাতের বৈষম্যের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “আমরা চাই না, আজকের ডিজিটাল বিভাজন আগামী দিনের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের বিভাজনে পরিণত হোক।”

বিশ্বশান্তি ও মানবিক বিশ্বের পক্ষে অবস্থান স্পষ্ট করে প্রধানমন্ত্রী জানান, সংঘাতের সমাধান হতে হবে আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমে। বিশেষ করে মিয়ানমারে চলমান সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “রোহিঙ্গা সংকটের উৎস ও উৎপত্তি মিয়ানমারে, তাই এর সমাধানও সেখানেই নিহিত।” বাস্তুচ্যুত ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে নিরাপদে ও মর্যাদাপূর্ণভাবে নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃঢ় ও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়নের বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনে বহুপক্ষীয় সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন সরকারপ্রধান। অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্য ‘রিস্টোরিং ট্রাস্ট, ম্যানেজিং ট্রান্সফরমেশন’ ধারণ করে ‘সবার আগে বাংলাদেশ: সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই স্লোগানে বিশ্বমঞ্চে দেশের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি, যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মর্যাদা ও অংশীদারত্বকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

রিলায়েন্ট মিডিয়া

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.