× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হাসিনা-কাদেরের হস্তান্তর: জাহেদ উর রহমান

ন্যাশনাল ট্রিবিউন প্রতিবেদক:

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২:০১ পিএম । আপডেটঃ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২:২০ পিএম

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সরকারের নীতিগত ও কূটনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। ছবি: পিআইবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক ও সহজ করার ক্ষেত্রে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ অন্য অভিযুক্তদের বাংলাদেশে হস্তান্তর করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। তিনি বলেন, ঢাকা ও দিল্লির সুস্থ কূটনৈতিক স্বার্থেই ভারত সরকার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ায় সাড়া দিয়ে তাঁদের দ্রুত হস্তান্তরের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের তথ্য মন্ত্রণালয়ে সরকারের সামগ্রিক কর্মকাণ্ড ও নীতিগত অবস্থান তুলে ধরতে আয়োজিত এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। 

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজন আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পরপরই সরকারের এই কূটনৈতিক অবস্থানের বিষয়টি প্রকাশ্যে এলো। সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা জানান, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সম্প্রতি তাঁর সঙ্গে বৈঠক করতে এলে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। 

উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, “আমরা শেখ হাসিনাকে ফেরত চাইছি। সেখানে ওবায়দুল কাদেরসহ মূল আসামিদের ফেরত চাইব না কেন? আমি ভারত সরকারের কাছে স্পষ্ট আহ্বান জানাতে চাই—বাংলাদেশের সাথে ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সহজ ও স্বাভাবিক করার জন্য তাঁদের হস্তান্তর করা একটি অন্যতম প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। ওয়ার্কিং এনগেজমেন্টের সুবিধার্থেই তাঁদের এই অবস্থানের পুনর্বিবেচনা করা উচিত।” আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক ঘোষিত ফাঁসির আদেশ ও তার প্রতিক্রিয়া নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা স্পষ্ট করে দেন, এই রায়ের পেছনে কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কাজ করেনি, বরং এটি সমাজে ন্যায়বিচার ও সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠারই একটি অংশ। অভিযুক্তরা দেশে উপস্থিত থাকলে তারা আদালতে নিজেদের পক্ষে আইনি লড়াই চালাতে পারত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।  

তিনি আরও বলেন, “আমরা কেবল সাজা নিশ্চিতের আনন্দে উল্লসিত নই, বরং সংবিধানে উল্লিখিত সমতা, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলো কি না, সেটাই দেখার বিষয়।” বর্তমানে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত মূল অপরাধীদের হস্তান্তরের ক্ষেত্রে ভারতের পদক্ষেপই দুই প্রতিবেশী দেশের ভাবমূর্তি ও ভবিষ্যত এনগেজমেন্ট কোন দিকে মোড় নেবে—তা নির্ধারণ করবে বলে কূটনৈতিক মহলে মনে করা হচ্ছে।সংবাদ সম্মেলনে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

রিলায়েন্ট মিডিয়া

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.