× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

সমন্বিত উদ্যোগেই সম্ভব টেকসই অঙ্গদান ও কিডনি প্রতিস্থাপন: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

ন্যাশনাল ট্রিবিউন প্রতিবেদক

২৮ জুন ২০২৬, ০০:৩৩ এএম । আপডেটঃ ২৮ জুন ২০২৬, ০০:৩৪ এএম

শনিবার কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-কোরিয়া ফ্রেন্ডশিপ কনফারেন্স অন লাইভ অ্যান্ড ডিসিজড ডোনার কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশন’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।

দেশে একটি টেকসই অঙ্গদান ও কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার, চিকিৎসক সমাজ, গণমাধ্যম এবং সাধারণ মানুষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। 'বাংলাদেশ-কোরিয়া ফ্রেন্ডশিপ কনফারেন্স অন লাইভ অ্যান্ড ডিসিজড ডোনার কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশন' শীর্ষক এই সম্মেলনে দেশে মৃতদেহ থেকে অঙ্গদান সংস্কৃতি সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

শনিবার (২৭ জুন) রাজধানীর মিরপুরে কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। 

মন্ত্রী বলেন, “অঙ্গদান মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। যা বহু মরণাপন্ন রোগীর জীবনে নতুন আশার সঞ্চার করে। একজন মৃত মানুষের কিডনি ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত সতেজ থাকে। যা প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে অন্য একজন কিডনি বিকল রোগীর জীবন রক্ষা করতে পারে। এ জন্য দক্ষ ট্রান্সপ্লান্ট কো-অর্ডিনেটর তৈরির মাধ্যমে আমাদের দেশে মৃতদেহ থেকে অঙ্গদানের প্রসারে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে হবে।”

কিডনি ফাউন্ডেশনের সিনিয়র কনসালটেন্ট অধ্যাপক হারুন-উর-রশিদের সভাপতিত্বে সম্মেলনে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগজনক তথ্য তুলে ধরেন। চিকিৎসকেরা জানান, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় দুই কোটি মানুষ কোনো না কোনো কিডনি রোগে আক্রান্ত। প্রতি বছর ৩৫ থেকে ৪০ হাজার রোগী চূড়ান্ত পর্যায়ের কিডনি বিকল (ইএসআরডি) হয়ে ডায়ালাইসিসের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন। যাদের সিংহভাগই উপযুক্ত চিকিৎসার অভাবে মারা যান।

এশিয়ান সোসাইটি অফ ট্রান্সপ্লান্টেশনের মহাসচিব অধ্যাপক কিউরি আন এবং সিডনি ওয়েস্টমিড রিসার্চ হাব কাউন্সিলের প্রধান অধ্যাপক জেরেমি চ্যাপম্যান বলেন, “বাংলাদেশে বছরে মাত্র কয়েকশত কিডনি প্রতিস্থাপন সম্ভব হয়। যার মধ্যে মৃত ব্যক্তি বা ডিসিজড ডোনার থেকে অঙ্গদানের সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য। মূলত চরম আর্থিক সংকট ও সচেতনতার অভাবে শতকরা ৯০ থেকে ৯৫ ভাগ রোগী এই জীবনরক্ষাকারী সেবা থেকে বঞ্চিত থাকছেন।”

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কিডনি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক রুহুল আমিন রুবেল এবং অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন দ্য ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি অফ কোরিয়ার এমিরিটাস অধ্যাপক ইন সুং মুন, ড্যানভিট ফাউন্ডেশনের অধ্যাপক হি ইয়ং শিন ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দুই দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও সরকারি নীতিগত সহায়তা দেশে মৃত ডোনারের কাছ থেকে কিডনি সংগ্রহের আইনি ও সামাজিক বাধা দূর করতে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.