× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

মালয়েশিয়া ও চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে একাধিক চুক্তি

ন্যাশনাল ট্রিবিউন প্রতিবেদক

২১ জুন ২০২৬, ১৮:০৮ পিএম । আপডেটঃ ২১ জুন ২০২৬, ১৮:১০ পিএম

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান। পিএমও

দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার করতে চার দেশীয় এশীয় সফরের অংশ হিসেবে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম আনুষ্ঠানিক বিদেশ সফর।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে দুই দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে আজ রোববার বেলা ২টা ৪৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিনি কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) নিশ্চিত করেছে। এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান, মন্ত্রিপরিষদের কয়েকজন সদস্য, উপদেষ্টা এবং উচ্চপর্যায়ের একটি সরকারি ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল রয়েছে। মালয়েশিয়া সফর শেষে আগামী ২২ জুন রাতে প্রধানমন্ত্রী চীনের দালিয়ান প্রদেশের উদ্দেশে রওনা হবেন এবং ২৬ জুন পর্যন্ত বেইজিংয়ে দ্বিপক্ষীয় ঠাসা কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২২ জুন কুয়ালালামপুরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এক একান্ত ও শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিপক্ষীয় এই বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি সহযোগিতা, হালাল অর্থনীতি, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প এবং কৃষি খাতে যৌথ অংশীদারিত্বের বিষয়টি প্রাধান্য পাবে।

পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, "মালয়েশিয়ার বিভিন্ন সেক্টরে নতুন বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের সুযোগ তৈরি, আঞ্চলিক জোট আসিয়ানে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় দেশটির সক্রিয় সমর্থন চাওয়া হবে। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল সইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।"

মালয়েশিয়া সফর শেষে ২২ জুন সন্ধ্যায় চীনের বন্দরনগরী দালিয়ানে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ২৩ জুন তিনি বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সভা ‘সামার দাভোস’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক অধিবেশনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। ফোরামের সাইডলাইনে কাজাখস্তান, মঙ্গোলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারপ্রধানদের সঙ্গে তাঁর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কথা রয়েছে।

২৪ জুন দুপুরে প্রধানমন্ত্রী বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হবেন। সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশে ২৫ জুন বেইজিংয়ের গ্রেট হলে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং ২৬ জুন প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে তাঁর পৃথক শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই বৈঠকগুলোতে দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই চীন সফর ঐতিহাসিক হতে যাচ্ছে। বেইজিংয়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে অন্তত ১৫ থেকে ১৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে, যার মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক, ২টি চুক্তি, ১টি কর্মপরিকল্পনা এবং ১টি প্রটোকল রয়েছে।" 

পাশাপাশি, বেইজিং সফরে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি চীনের শীর্ষ সারির ব্যবসায়ীদের সামনে বাংলাদেশের অনুকূল বিনিয়োগ পরিবেশ তুলে ধরে সরাসরি বিনিয়োগের আহ্বান জানাবেন। ২৬ জুন বিকেলে বেইজিং থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর এই দ্বিপক্ষীয় সফর সমাপ্ত হবে।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.