× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

দেশে হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৫০০ ছুঁই ছুঁই, ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ শিশুর প্রাণহানি

ন্যাশনাল ট্রিবিউন প্রতিবেদক

২৩ মে ২০২৬, ০১:২০ এএম । আপডেটঃ ২৩ মে ২০২৬, ০১:২২ এএম

দিন দিন হাসপাতালগুলোতে হাম আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ছে। ফাইল ছবি

দেশজুড়ে কোনোভাবেই থামছে না হামের প্রকোপ। মহামারি রূপ নেওয়া এই রোগে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ২ জন হামে এবং ৯ জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯৯ জনে, যা প্রায় ৫০০-র কোঠায়। আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এই উদ্বেগজনক তথ্য জানা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে আজ শুক্রবার সকাল আটটা পর্যন্ত সময়ে এই ১১টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত আড়াই মাসে মারা যাওয়া ৪৯৯ জন শিশুর মধ্যে ৮৫ জনের শরীরে সরাসরি হাম শনাক্ত হয়েছিল। বাকি ৪১৪ শিশু মারা গেছে হামের তীব্র উপসর্গ নিয়ে।

এদিকে মৃত্যুর পাশাপাশি নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যাও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে আরও ১ হাজার ২৬১ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। ফলে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট হামের উপসর্গযুক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৫৪০ জনে।

ল্যাবরেটরি পরীক্ষার তথ্য বিশ্লেষণ করে অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৫৪ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত ল্যাব-টেস্টে নিশ্চিত হাম আক্রান্তের সংখ্যা ৮ হাজার ৩২৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, "হাসপাতালগুলোতে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আসা শিশুর সংখ্যা কমছে না। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ৪৭ হাজার ৫১১টি শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আমাদের চিকিৎসকেরা সাধ্যমতো সেবা দিচ্ছেন এবং এ পর্যন্ত ৪৩ হাজার ৪১১ শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। তবে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান ও সচেতনতা আরও বাড়াতে হবে।"

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত শিশুদের ক্ষেত্রে হাম একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ হলেও পুষ্টিহীনতা ও যথাসময়ে টিকা না পাওয়ার কারণে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। বর্তমান সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঊর্ধ্বমুখী হার বজায় থাকলে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর উপদ্রুত এলাকাগুলোতে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করার পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। চিকিৎসকেরা শিশুদের জ্বর ও শরীরে গুটি বা র‍্যাশ দেখা দিলে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার তাগিদ দিচ্ছেন।


National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.