× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

জ্বালানি তেল বিক্রিতে সরকারের ৫ শর্ত, পাম্পে ভিড় এড়াতে কঠোর নির্দেশনা

ন্যাশনাল ট্রিবিউন প্রতিবেদক

০৬ মার্চ ২০২৬, ১৯:৪২ পিএম । আপডেটঃ ০৬ মার্চ ২০২৬, ২০:১৫ পিএম

রাজধানীর একটি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল সংগ্রহে গ্রাহকদের দীর্ঘ সারি। ছবি: সংগৃহীত

ইরান-মার্কিন সংঘাতের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। তেলের সংকটের আশঙ্কায় রাজধানীসহ দেশজুড়ে ফিলিং স্টেশনগুলোতে উপচে পড়া ভিড় ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। শুক্রবার (৬ মার্চ) এক বিশেষ আদেশে ফিলিং স্টেশন থেকে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেল বিক্রয় এবং ডিপো থেকে তেল উত্তোলনের ক্ষেত্রে পাঁচটি কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

পারস্য উপসাগরে উত্তেজনার খবরের পর থেকেই রাজধানীর জ্বালানি পাম্পগুলোতে গ্রাহকদের লম্বা সারি দেখা যাচ্ছে। চাহিদার অতিরিক্ত তেল মজুদ করার প্রবণতা থেকে গ্রাহকদের মধ্যে শুরু হয়েছে ‘প্যানিক বায়িং’ বা আতঙ্কিত হয়ে কেনা। অনেক স্থানে সিরিয়াল দেওয়া নিয়ে বাকবিতণ্ডা ও অনাকাঙ্ক্ষিত হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জ্বালানি নিরাপত্তার স্বার্থে এবং মজুদে ভারসাম্য বজায় রাখতে সরকার এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

জ্বালানি বিভাগ থেকে জারি করা নতুন নির্দেশনায় ভোক্তা ও ডিলার উভয়ের জন্যই নিয়ম বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। শর্তগুলো হলো—


  • ১. ক্রয় রশিদের আবশ্যকতা: ফিলিং স্টেশন থেকে তেল কেনার সময় তেলের ধরন, সুনির্দিষ্ট পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ভোক্তাকে অবশ্যই রশিদ প্রদান করতে হবে।


  • ২. পূর্ববর্তী রশিদের যাচাই: পুনরায় তেল সংগ্রহের সময় গ্রাহককে আগেরবার জ্বালানি ক্রয়ের রশিদ বা বিল প্রদর্শন করতে হবে।


  • ৩. ডিলারদের স্বচ্ছতা: অনুমোদিত ডিলাররা কেবল নির্দিষ্ট বরাদ্দ ও সরকারি নির্দেশনা মেনে রশিদ প্রদানের মাধ্যমে ভোক্তা পর্যায়ে তেল সরবরাহ করবেন।


  • ৪. তথ্য প্রদান সাপেক্ষে উত্তোলন: ফিলিং স্টেশনগুলো তাদের তেলের মজুদ ও প্রতিদিনের বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিপোতে জমা দেওয়া সাপেক্ষে নতুন করে তেল উত্তোলন করতে পারবে।


  • ৫. বরাদ্দ সীমার কঠোর নিয়ন্ত্রণ: তেল বিপণন কোম্পানিগুলো সরবরাহ দেওয়ার আগে ডিলারদের মজুদ ও বিক্রয় তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করবে। কোনোভাবেই বরাদ্দের অতিরিক্ত জ্বালানি প্রদান করা যাবে না।

সরকারের এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো—কৃত্রিম সংকট রোধ এবং আপদকালীন মজুদ বজায় রাখা। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, সাধারণ গ্রাহকরা যদি প্রয়োজনের অতিরিক্ত মজুদ না করেন, তবে দেশে বর্তমানে থাকা তেলের মজুদে কোনো সংকট হওয়ার কথা নয়। জনগণকে ধৈর্য ধরার পাশাপাশি অযথা আতঙ্কিত না হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় জ্বালানি ক্রয়ের আহ্বান জানানো হয়েছে।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.