× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

সংসদ নেই, শপথ কে পড়াবেন

ন্যাশনাল ট্রিবিউন প্রতিবেদক

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬:৫৮ পিএম । আপডেটঃ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮:৩০ পিএম

জাতীয় সংসদ ভবন। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে এরই মধ্যে নতুন সরকার গঠনের পথে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, দলটি দেড় শ’র বেশি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন নিশ্চিত করেছে। তবে ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বর্তমানে জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে, নেই কোনো স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারও। এমন এক নজিরবিহীন অবস্থায় নতুন সংসদ সদস্যদের (এমপি) শপথ গ্রহণ ও ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া নিয়ে জনমনে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলাফল ‘সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত’ হওয়ার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ নিতে হয়। বেসরকারি ফলাফল আসার পর সাধারণত নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করতে আরও দু-একদিন সময় নেয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবের দেওয়া তথ্যমতে, আগামী ১৫ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে গেজেট হতে পারে এবং ১৮ ফেব্রুয়ারির পর শপথ অনুষ্ঠান যাওয়ার কথা নয়। সব ঠিক থাকলে নির্বাচনের পরবর্তী ছয় দিনের মধ্যেই নতুন সরকার গঠনের মূল প্রক্রিয়া শুরু হবে।

সাধারণত নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার। বর্তমানে এই দুটি পদের কোনোটিই কার্যকর নেই, স্পিকারের পদ শূন্য এবং ডেপুটি স্পিকার কারাগারে রয়েছেন। এই জটিলতা কাটাতে সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদে দুটি বিকল্পের কথা বলা হয়েছে:

রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তি

রাষ্ট্রপতি শপথ পাঠ করানোর জন্য যে কোনো ব্যক্তিকে মনোনীত করতে পারেন। অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের মতে, রাষ্ট্রপতি চাইলে প্রধান বিচারপতিকে দিয়েও নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ পড়াতে পারেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার

যদি নির্ধারিত তিন দিনের মধ্যে স্পিকার বা রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তি শপথ করাতে ব্যর্থ হন, তবে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) নিজেই শপথ পাঠ পরিচালনা করবেন।

শপথ গ্রহণের পর শুরু হবে চূড়ান্ত সরকার গঠনের পালা। সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি যে সংসদ সদস্যকে সংখ্যাগরিষ্ঠের আস্থাভাজন বলে মনে করবেন (সাধারণত বিজয়ী দলের সংসদীয় নেতা), তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন। প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নেওয়ার মুহূর্ত থেকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্ষমতার মালিকানা লাভ করবেন।

সংবিধান অনুযায়ী, শপথ নেওয়ার অব্যবহিত পরেই নবনিযুক্ত মন্ত্রীরা কার্যভার গ্রহণ করেছেন বলে গণ্য হবে। এর মাধ্যমেই বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছ থেকে নির্বাচিত সরকারের কাছে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার চূড়ান্ত হস্তান্তর ঘটবে।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.