জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ঘোষিত সাধারণ ছুটি নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেসব কারখানা এই ছুটি কার্যকর করবে, তারা উৎপাদন সচল রাখতে পরবর্তীতে যেকোনো ছুটির দিনে শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করিয়ে এই কার্যদিবসটি সমন্বয় বা 'পুষিয়ে' নিতে পারবে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। রাতে প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
পোশাক খাতের মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ-র পক্ষ থেকে কারখানাগুলোর উৎপাদন সূচি বজায় রাখতে সরকারের কাছে একটি আবেদন করা হয়েছিল। সেখানে উল্লেখ করা হয়, টানা ছুটির ফলে রফতানি আদেশ বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। উপদেষ্টা পরিষদ এই বাস্তবতাকে আমলে নিয়ে বিশেষ এই ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, ‘জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি যে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, তা যেসব কারখানা কার্যকর করবে, তারা প্রয়োজনে পরবর্তীতে যেকোনো দিনে শ্রমিকদের দিয়ে একদিন কাজ করিয়ে সেই ছুটি পুষিয়ে নিতে পারবে।’
অর্থাৎ, ১০ ফেব্রুয়ারি শ্রমিকরা সশরীরে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলেও কারখানার মালিকরা শ্রমিকদের সম্মতিতে অন্য কোনো সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কাজ করিয়ে নেওয়ার আইনি সুযোগ পাবেন। এতে যেমন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় শ্রমিকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে, তেমনি শিল্প উৎপাদনও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না বলে মনে করছে সরকার।