× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

অতিরিক্ত সচিব পদে ১২৪ কর্মকর্তার পদোন্নতি, বঞ্চিত ১৬৭

ন্যাশনাল ট্রিবিউন প্রতিবেদক

২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:০৬ এএম । আপডেটঃ ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ২৩:০২ পিএম

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় |

প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল ও পদোন্নতি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। যুগ্মসচিব পদমর্যাদার ১২৪ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়ে অতিরিক্ত সচিব করা হয়েছে। মূলত বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২০তম ব্যাচকে ভিত্তি ধরেই এই পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। তবে বড় সংখ্যক কর্মকর্তার পদোন্নতি প্রাপ্তির আনন্দের পাশাপাশি বঞ্চিতদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ।

সূত্রমতে, ২০তম ব্যাচের মোট কর্মকর্তা ২৯১ জন। এর মধ্যে ১২৪ জনকে পদোন্নতির জন্য যোগ্য বিবেচনা করা হয়েছে। অন্যদিকে, একই ব্যাচের ১৬৭ জন কর্মকর্তা পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এছাড়া মার্জ হওয়া ইকোনমিক ক্যাডার থেকে ১৫ জন এবং ইতিপূর্বে বঞ্চিত বিভিন্ন ব্যাচের আরও ১৪ জন কর্মকর্তাকে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মধ্যে ৬ জন বর্তমানে বিদেশে বা লিয়েনে কর্মরত রয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী, তারা দেশে ফিরে যোগদান করার পর তাদের সরকারি আদেশ (জিও) জারি করা হবে।

পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে নিরপেক্ষতা আশা করলেও পদোন্নতির ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী দলীয় সরকারের মতোই বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক যুগ্মসচিব ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমরা যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও বঞ্চিত হয়েছি। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমরা পুনর্বিবেচনার আবেদন করব।"

তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, যাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা, শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান বা বিভিন্ন সংস্থার নেতিবাচক প্রতিবেদন রয়েছে, তাদের পদোন্নতি দেওয়ার কোনো আইনি সুযোগ নেই। অত্যন্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘ ১৮ মাস যাচাই-বাছাইয়ের পর এই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

২০২৪ সালের জুন মাস থেকে ২০তম ব্যাচের পদোন্নতির প্রক্রিয়া শুরু হলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে তা থমকে গিয়েছিল। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের (এসএসবি) ধারাবাহিক সভায় যাচাই-বাছাই শেষে এই আদেশ জারি হয়।

তবে জারিকৃত আদেশে একটি বিশেষ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে—পদোন্নতিপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরবর্তীতে কোনো বিরূপ বা ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে কর্তৃপক্ষ এই আদেশ সংশোধন বা বাতিলের অধিকার সংরক্ষণ করে।


পদোন্নতি প্রাপ্ত কর্মকর্তারা হলেন-

শেখ মতিয়ার রহমান (৬২৬৭), ড. সৈয়দা নওশিন পর্ণিনী (৬৪৩৭), মো. শাহ আলম (৬৪৮৪), মো. আজিজুল ইসলাম (৬৪৯১), মো. আকনুর রহমান পিএইচডি (৬৬৩১), মুহাম্মদ এনাম চৌধুরী (৬৬৩৫), মো. জাহাঙ্গীর আলম (৬৬৩৬), মো. রাহেদ হোসেন (৬৬৪৩), মো. জহিরুল ইসলাম (৬৬৪৮), মোহা. আলমগীর হোসেন (৬৬৬৫), আরিফ আহমেদ (৬৬৬৭), খোন্দকার আনোয়ার হোসেন (৬৬৭০), মো. মশিউর রহমান (৬৬৭২), জামিল আহমেদ (৬৬৭৩), ড. আহমেদ উল্লাহ, এফসিএমএ (৬৬৭৪), রাজা মো. আব্দুল হাই (৬৬৭৬), ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (৬৬৭৭), মো. মোতাহার হোসেন (৬৬৭৯), বাবর আলী মীর (৬৬৮০), ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ (৬৬৮৫), মো. ইউসুফ আলী (৬৬৯১), মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন (৬৬৯২), মো. আবদুল্লাহ হারুন (৬৬৯৩), মোহাম্মদ সানাউল হক (৬৭০১), মো. শাওগাতুল আলম (৬৭০২), মো. মনিরুজ্জামান মিঞা (৬৭০৩), মোহাম্মদ আবুল হাশেম (৬৭০৪), মু. জসীম উদ্দিন খান (৬৭০৫), খোন্দকার মো. নাজমুল হুদা শামিম (৬৭০৬), এমএম আরিফ পাশা (৬৭০৮), মো. নজরুল ইসলাম (৬৭০৯), মো. মোস্তফা জামান (৬৭১৩), আলতাফ হোসেন সেখ (৬৭১৫), খলিল আহমেদ (৬৭১৮), কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম (৬৭২০), মুহম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী (৬৭২২), শামিম সুলতানা (৬৭২৪), মো. সাইদুর রহমান (৬৭২৫), মো. নায়েব আলী (৬৭২৬), মো. আসাদুজ্জামান (৬৭২৭), মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন (৬৭৩০), নাহিদ সুলতানা মল্লিক (৬৭৩৯), ড. মো. লুৎফর রহমান (৬৭৪১), মো. শফিকুল ইসলাম (৬৭৪২), মোসা. সুরাইয়া বেগম (৬৭৪৫), মোহাম্মদ আবু নঈম (৬৭৪৯), এস. এম. হুমায়ুন কবির সরকার (৬৭৫১), আলেয়া খাতুন (৬৭৫৬), শিবির বিচিত্র বড়–য়া (৬৭৬১), মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান (৬৭৬৩), মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নূরী (৬৭৬৯), আবু ইউসুফ মো. রেজাউর রহমান (৬৭৭১), মো. আনোয়ারুল ইসলাম (৬৭৭৫), মো. আব্দুর রশিদ (৬৭৭৬), সালমা সিদ্দিকা মাহতাব, এনডিসি (৬৭৭৯), আবু সালেহ মো. মহিউদ্দিন খাঁ, এনডিসি (৬৭৮৩), ফেরদৌসী আখতার (৬৭৮৬), দিল আফরোজা (৬৭৮৭), মুহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন (৬৭৯৪), মোহাম্মদ শামীম সোহেল (৬৭৯৬), হাবিবুন নাহার (৬৮০০), কে. এম. আলী আযম (৬৮০২), মোসা. ফেরদৌসী বেগম (৬৮০৫), মোহা. আব্দুর রফিক (৬৮১০), তাহমিনা ইয়াসমিন (৬৮১৩), ড. সাদিয়া শারমিন (৬৮১৪), ড. জিন্নাত রেহানা (৬৮১৮), শাহীনা ফেরদৌসী (৬৮২১), ড. রোকসানা তারান্নুম (৬৮২২), রায়না আহমদ (৬৮২৪), শামিমা বেগম (৬৮২৮), মোহাম্মাদ আজাদ ছাল্লাল (৬৮৩৩), মোসাম্মাৎ জোহরা খাতুন (৬৮৩৪), রাহিমা আক্তার (৬৮৩৫), সাহানা (৬৮৪০), মুহাম্মদ আব্দুল হাই আল-মাহমুদ (৬৮৪৬), মো. লাল হোসেন (৬৮৫৪), ড. মো. গোলাম আজম (৬৮৫৭), এস এম মাসুদুল হক (৬৮৫৯), এ এস এম মুস্তাফিজুর রহমান (৬৮৬২), এসএম শাহীন পারভেজ (৬৮৬৪), নাসরিন জাহান (৬৮৭৩), খেনচান (৬৮৮০), হাসান মাহমুদ (৬৮৮৭), আবুল হাসনাত মোহাম্মদ আনোয়ার পাশা (৬৮৯২), এ কে এম তারেক (৬৯০১), খাদিজা নাজনীন (৬৯০৭), মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম (৬৯২৬), ড. দেলোয়ার হোসেন (২০৩৫৮), মো. সোহেলুর রহমান খান (২০৩৬৪), মীর আহমেদ তারিকুল ওমর (২০৩৬৫), শাহ ইমাম আলী রেজা (২০৩৬৯), শায়লা শার্মিন জামান (২০৩৭১), তাহেরা হক (২০৩৭৩), রাহনুমা নাহিদ (২০৩৭৫), মাছুমা আকতার (২০৩৭৬), মো. গোলাম মোছাদ্দেক (২০৩৭৯), কাজী মোখলেছুর রহমান (২০৩৮৩), মো. শাহীনুর রহমান (২০৩৮৪), মো. সালাহউদ্দিন আহাম্মদ (২০৩৮৭), মো. সামীমুজ্জামান (২০৩৮৯), ফররুখ আহম্মদ (২০৩৯১), মো. মিজানুল হক (২০৩৯৫), শাহনাজ বেগম নীনা (৭৬৯৬), রাশেদা জামান (৭৬৯৮), ওয়াহিদা সুলতানা (৭৬৯৯), মো. জাহাঙ্গীর আলম (৭৭২৭), ড. মো. আশরাফুজ্জামান (৭৭৫২), এসএম আহসানুল আজিজ (৭৭৫৩), মো. মাহমুদ কবীর (৭৭৫৫), এ কে এম মকসুদুল আরেফীন (৭৭৫৮), ড. মো. মশিউর রহমান (৭৭৬২), মো. সারওয়ার উদ্দীন খান (৭৭৬৩), মো. মীর হোসেন (৭৭৬৬), মোহাম্মদ শাহীন, এনডিসি (৭৭৬৭), মো. মাসুদ আলম (৭৭৮৮), আ স ম আশরাফুল ইসলাম, এনডিসি (৭৭৯০)।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.