ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আবদোল্লাহিয়ানসহ অন্যান্য আরোহীদের নিহতের বিষয়টি আসলেই হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা নাকি কোনো চক্রান্ত এ ব্যাপারে নানা আলোচনা চলছে। তবে দেশটির গণমাধ্যমগুলো এখন পর্যন্ত চক্রান্তের কোনো ইঙ্গিত দেয়নি।
ভয়াবহ আবহাওয়া পরিস্থিতিই তাদের খবরে উঠে এসেছে এবং এই দুর্ঘটনার জন্য সেটিকেই একমাত্র কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট রাইসির অনেক শত্রু ছিল। গত শতাব্দীর ৮০- এর দশকে বহু ভিন্ন মতাবলম্বীর মৃত্যু পরোয়ানা লিখেছেন তিনি। ওই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা মূলত বামপন্থী ছিলেন।
২০২১ সাল থেকে ক্ষমতায় ছিলেন রাইসি। এই সময়টায় ইরানের অভ্যন্তরে ব্যাপক ক্র্যাকডাউন (কঠোর পদক্ষেপ) চালানো হয়। এছাড়া, তিনি শীর্ষ পদের দৌঁড়ে ছিলেন, যে পথে শত্রু তৈরি হওয়া খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু তিনি শত্রুতার শিকার হয়েছেন, তেমন কোনো প্রমাণ আমাদের হাতে নেই।
অতীতের নানা ঘটনার বাস্তবতায় ইরানের দিক থেকে সবসময়ই ইসরায়েলকে ঈঙ্গিতের একটা কারণ থাকে। এরই মধ্যে ইসরায়েলি সাংবাদিকদের দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এর সঙ্গে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। যুদ্ধের বিচারে এটি হতো খুবই উসকানিমূলক। তাতে ইসরায়েলের কী লাভ হতো তা বলা দুষ্কর।
খারাপ আবহাওয়ার ক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় বিবেচনায় নেয়া উচিত। তা হলো, বছরের পর বছর নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকায় ইরানের এয়ারক্র্যাফটগুলো অনিরাপদ হয়ে পড়েছে। কারণ, তারা স্পেয়ার পার্টস্ (খুচরা যন্ত্রাংশ) বা এয়ারফ্রেম (নতুন কাঠামো) পেতো না। খবর-বিবিসি