× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

অমিত শাহর আদেশে আটকে মুম্বাই পুলিশ, জেরা করা যাচ্ছে না গ্যাংস্টার বিষ্ণোইকে

ন্যশনাল ট্রিবিউন ডেস্ক:

২২ অক্টোবর ২০২৬, ২০:২০ পিএম । আপডেটঃ ২২ অক্টোবর ২০২৬, ২০:২১ পিএম

ভারতের গুজরাটের সর্বমতী কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী থাকা কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই। ফাইল ছবি: এএনআই

বলিউডে ধারাবাহিক আতঙ্ক ও হত্যার হুমকির কেন্দ্রে থাকা কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইকে কারাগার থেকে বাইরে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারছে না মুম্বাই পুলিশ। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কঠোর আইনি বিধিনিষেধ এবং বিশেষ নিরাপত্তার আদেশের কারণেই মূলত এই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। গত ১৮ অক্টোবর বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের বাসভবনকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নাম জড়ানোর পর বিষয়টি নতুন করে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের শিরোনামে এসেছে।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্যানুযায়ী, লরেন্স বিষ্ণোই বর্তমানে গুজরাটের আহমেদাবাদের সর্বমতী কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী রয়েছেন। মুম্বাইয়ে একাধিক চাঞ্চল্যকর অপরাধ এবং অভিনেতা সালমান খানের বাসভবন গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে গুলিবর্ষণের মতো গুরুতর ঘটনার সঙ্গে গ্যাংটির সরাসরি সংযোগ পাওয়া গেলেও, অন্য কোনো তদন্তকারী সংস্থার তাকে কারাগার থেকে বাইরে নেওয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে ফৌজদারি কার্যবিধির (তৎকালীন সিআরপিসির ২৬৮ ধারা এবং বর্তমানে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ৩০৩ ধারা) আওতায় একটি বিশেষ নির্বাহী আদেশ জারি করা হয়। জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং কুখ্যাত বন্দীদের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরের সময় সম্ভাব্য সহিংসতার ঝুঁকি এড়াতেই এই সুরক্ষা বলয় তৈরি করা হয়েছে। ফলে আদালতের সাধারণ পরোয়ানা বা অন্য কোনো সংস্থার রিমান্ড আবেদন এই আদেশের কারণে কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না।

কেন্দ্রীয় সরকারের এই কঠোর নীতিমালার ফলে মুম্বাই পুলিশ বা অন্য কোনো সংস্থাকে লরেন্স বিষ্ণোইকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হলে কঠোর শর্ত মানতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী, উপযুক্ত আদালতের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে তদন্তকারীরা কেবল ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে কিংবা জেলখানার ভেতরে সীমিত পরিসরেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন।

বিশ্লেষকদের মতে, লরেন্স বিষ্ণোই একা নন, এর আগে ২০১৫ সালে আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন ছোটা রাজন এবং বর্তমানে বিষ্ণোইয়ের ছোট ভাই আনমোল বিষ্ণোইকেও অনুরূপ বিশেষ আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। অতীতে তিহার জেলে বসে ছোটা রাজন দাবি করেছিলেন যে, মুম্বাই পুলিশের একটি অংশের সঙ্গে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী দাউদ ইব্রাহিমের যোগসাজশ রয়েছে, যার কারণে তাঁকে মুম্বাইে স্থানান্তর করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের একটি পুরোনো ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের ক্ষোভ এবং অভিনেতা সালমান খানের সঙ্গে চলমান দীর্ঘ বৈরিতার জেরে এই অপরাধ সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক সময়ে টাইগার শ্রফসহ বলিউডের অন্যান্য তারকাদের ওপর হামলা এবং বিষ্ণোই গ্যাংয়ের অব্যাহত হুমকির ফলে মুম্বাইয়ের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সেলিব্রিটিদের সুরক্ষা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্নচিহ্ন ঝুলে রয়েছে।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

রিলায়েন্ট মিডিয়া

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.