× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

দিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালে আটক শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ওপর পুলিশি নির্যাতন ও হেনস্থার অভিযোগ

ন্যশনাল ট্রিবিউন ডেস্ক:

১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৪ এএম । আপডেটঃ ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৪ এএম

দিল্লিতে নির্বাচন কমিশন বিরোধী বিক্ষোভ থেকে দুই হাতের আঘাতের চিহ্ন দেখাচ্ছেন নাদিয়া।

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও ভোটার তালিকা পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়া নিয়ে চলমান বিক্ষোভের সময় দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে মারধর, দুর্ব্যবহার এবং যৌন হেনস্থার গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন আটক শিক্ষার্থী, বিক্ষোভকারী ও সংবাদকর্মীরা। গত ১০ ও ১১ অক্টোবরের বিক্ষোভ থেকে আটক হওয়া বেশ কয়েকজন তরুণ-তরুণী ও সাংবাদিক পুলিশের নৃশংসতার অভিজ্ঞতা সংবাদমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করেছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে দিল্লি পুলিশের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আয়োজিত এই বিক্ষোভে কঠোর অবস্থান নেয় প্রশাসন। যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভের অনুমতি না দিয়ে এবং ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৬৩ ধারা জারি করে পুরো এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দিল্লি পুলিশের পাশাপাশি প্রায় ২৩ হাজার কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। এই কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই আন্দোলনকারীদের তুলে নিয়ে বাওয়ানা, মুন্ডকা ও বুরারির মতো দূরবর্তী আটক কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।

আটক হওয়া আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর ছাত্রী ও এসএফআই নেত্রী শরণ্যা শর্মা অভিযোগ করেন, আটকের সময় নারী পুলিশকর্মীরা তার পোশাক টেনে তুলে ধরেন এবং পুরুষ কমান্ডোরা জোরপূর্বক তাকে বাসে তোলেন। নোভেল নামের এক পিএইচডি গবেষক জানান, একটি পুলিশ বাসে তাকে প্রায় তিন ঘণ্টা আটকে রেখে দফায় দফায় চড় মারা হয়েছে এবং তার জামাকাপড় ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। এছাড়া সমাজকর্মী অর্জুন দাবি করেন, প্রিজন ভ্যানে তোলার পর পুলিশ তার বুকে ও গোপনাঙ্গে বুট দিয়ে লাথি মেরেছে। এসএফআই নেত্রী নাদিয়াও চুল টানাসহ শারীরিক লাঞ্ছনার শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন।

শুধু বিক্ষোভকারীরাই নন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আটক হয়েছেন অন্তত ৩৭ জন সাংবাদিক। ‘স্ক্রল’, ‘বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড’, ‘নিউজলন্ড্রি’ এবং ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস হিন্দি’-র মতো গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা প্রেস কার্ড দেখানোর পরেও পুলিশ তাদের জোরপূর্বক আটক করে দূরে নিয়ে যায়। সিপিজে-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, আটক সাংবাদিকদের ফোনও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।

এদিকে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণ ও নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের এভাবে বেআইনিভাবে আটক করা যায় না এবং আইনসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো কোনো জবাব মেলেনি, তবে আটক ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীদের মানসিক ট্রমা কাটিয়ে আইনি লড়াই ও আন্দোলনের ধারা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।


তথ্যসূত্র: বিবিসি 


National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

রিলায়েন্ট মিডিয়া

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.