× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

দুবাই-ইসরায়েল ফ্লাইটে সহ-পাইলটকে কুপিয়ে বিমান বিধ্বস্তের চেষ্টা, সৌদিতে জরুরি অবতরণ

রয়টার্স

০১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৮ এএম । আপডেটঃ ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩০ এএম

ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটিতে সন্ত্রাসী হামলার চেষ্টার পর বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অপেক্ষমাণ । ছবি: রয়টার্স

দুবাই থেকে ইসরায়েলগামী 'ফ্লাইদুবাই'-এর একটি যাত্রীবাহী বিমানের ককপিটে প্রধান পাইলট কর্তৃক সহ-পাইলটকে ছুরিকাঘাত করে বিমানটি বিধ্বস্ত করার একটি ভয়াবহ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জর্ডানের আকাশসীমায় সংঘটিত এই ঘটনায় ককপিটে তুমুল সংঘর্ষের একপর্যায়ে বিমানটি মাত্র দুই মিনিটে ১৬ হাজার ফুট নিচে নেমে গিয়ে ঘূর্ণিপাকে পড়ে। পরবর্তীতে একজন সাহসী ইসরায়েলি যাত্রী ও কেবিন ক্রুদের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে হামলাকারী পাইলটকে কাবু করা সম্ভব হয় এবং বিমানটি গতিপথ পরিবর্তন করে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক ভিডিও বিবৃতিতে এই ঘটনাকে ‘অত্যন্ত গুরুতর’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন, মূল পাইলট বিমানটির জরুরি প্রশাসনিক ব্যবস্থা অচল করে দিয়ে যাত্রীসহ তা ধ্বংসের চেষ্টা করেছিলেন। বিমানটির নিয়ন্ত্রণের জন্য লড়াই চলাকালীন জরুরি সংকেত পাঠানো হলে ছিনতাইয়ের আশঙ্কায় ইসরায়েলি বিমান বাহিনী দ্রুত যুদ্ধবিমান পাঠায়। এ সময় সৌদি আরবের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তাবুক বিমানবন্দরে স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে বিমানটি নিরাপদে নেমে আসে।

প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু জানান, ককপিটে সংঘাত শুরু হলে ককপিটের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিমানটি নাটকীয়ভাবে নিচে নামতে থাকে। পরিস্থিতি অনুধাবন করে একজন ইসরায়েলি যাত্রী দ্রুত ফ্লাইট ক্রুকে সঙ্গে নিয়ে ককপিটের দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। তারা দুজন এবং পরবর্তীতে অন্যান্য ক্রু সদস্যরা মিলে হামলাকারী পাইলটকে নিরস্ত ও নিয়ন্ত্রণে আনেন, যার ফলে একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে শতাধিক যাত্রীর প্রাণ রক্ষা পায়।

ঘটনার পরপরই সৌদি কর্তৃপক্ষ আক্রমণকারী পাইলটকে গ্রেপ্তার করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। এএফপি-র সূত্রানুযায়ী, ককপিটের ভেতরে মারামারির ঘটনায় বিমানের ক্যাপ্টেন ও কো-পাইলট উভয়ই আহত হয়েছেন এবং অবতরণের পর তাদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এই ঘটনাকে একটি প্রত্যক্ষ সন্ত্রাসী হামলা আখ্যা দিয়ে বলেন, "হামলাকারীর একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল বিমানটি বিধ্বস্ত করে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটানো।"

সৌদি আরবে আটকে পড়া ইসরায়েলি যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের দ্রুত ও নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছে ইসরায়েল। পাশাপাশি সম্ভাব্য যেকোনো জাতীয় নিরাপত্তাজনিত হুমকি মোকাবিলায় দেশের সব নিরাপত্তা সংস্থাকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

রিলায়েন্ট মিডিয়া

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.