× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত ১২০০ পার

ন্যশনাল ট্রিবিউন ডেস্ক:

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৯ এএম । আপডেটঃ ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২০ এএম

নেপালে ভটেকোশী-ত্রিশূলী নদীর বন্যায় ধসে পড়া এক পাহাড়ি জনপদে নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন দেশটির উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। ছবি: সংগৃহীত

নেপালের ভটেকোশী ও ত্রিশূলী নদীতে গত সপ্তাহে সৃষ্টি হওয়া ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ২০৪ জনে পৌঁছেছে। হিমালয় কোলঘেঁষা দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিআরআরএমএ) নিশ্চিত করেছে যে, বুধবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী দুর্গম এলাকাগুলোতে এখনো ৪ হাজার ২১৬ জন মানুষ পুরোপুরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজে চরম বিপর্যয় দেখা দেওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের মুখে ভটেকোশী ও ত্রিশূলী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে লোকালয় প্লাবিত করায় সেতু, সড়ক ও অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোতে বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ায় শত শত পরিবার বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, যা উপদ্রুত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানো ও নিখোঁজদের উদ্ধারে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এনডিআরআরএমএ-এর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, “দুর্গম পাহাড়ি পথ ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পৌঁছানো উদ্ধারকারীদের জন্য অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছে। বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পাওয়া হিসাব অনুযায়ী নিখোঁজ চার সহস্রাধিক মানুষের সন্ধানে সেনাসদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ব্যাপক উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে।”

দুর্গত এলাকাগুলো থেকে বাস্তুচ্যুত হাজার হাজার পরিবার বর্তমানে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে মানবিক সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। নেপাল সরকার আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোতে দ্রুত উদ্ধার সরঞ্জাম ও জরুরি ওষুধ পাঠানোর উদ্যোগ জোরদার করেছে।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

রিলায়েন্ট মিডিয়া

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.