× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

লারাক দ্বীপে মার্কিন ড্রোন হামলা, জবাবে জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ

ন্যশনাল ট্রিবিউন ডেস্ক:

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৫ এএম । আপডেটঃ ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৬ এএম

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির লারাক দ্বীপ সংলগ্ন অঞ্চলে ইরানের সামরিক মহড়া ও মার্কিন বাহিনীর সাথে চলমান সংঘাতের একটি চিত্র। ছবি: সংগৃহীত

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির লারাক দ্বীপে রকেট উৎক্ষেপণকারী স্থাপনায় মার্কিন অভিযানের পর, তার জবাবে জর্ডানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দুটি প্রধান সামরিক ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। রোববার লারাক দ্বীপে মার্কিন ড্রোনের আঘাতে কয়েকজন হতাহতের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়ার জের ধরে সোমবার ভোরে জর্ডানের ‘কিং হুসেইন’ ও ‘আল-আজরাক’ বিমানঘাঁটিতে এ আক্রমণ চালায় তেহরান। গত জুলাইয়ের পর ইরানের ভূখণ্ডে ওয়াশিংটনের প্রথম প্রকাশ্য এই সামরিক পদক্ষেপের ফলে হরমুজ প্রণালি কেন্দ্রিক চলমান ছয় মাসের সংঘাত বিশ্বজুড়ে নতুন করে জ্বালানি বিপর্যয় ও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি করেছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) মুখপাত্র কমান্ডার টিম হকিন্স নিশ্চিত করে জানান, লারাক দ্বীপে আইআরজিসির সদস্যরা রকেটের সাহায্যে সাগরে মাইন নিক্ষেপের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে উক্ত উৎক্ষেপণকারী স্থাপনাগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে এ হামলাকে ট্রাম্প প্রশাসনের 'কৌশলগত ও মারাত্মক ভুল' হিসেবে অভিহিত করা হয়। এরপরই আইআরজিসি এক বিবৃতিতে দাবি করে, জর্ডানে পরিচালিত তাদের প্রতিশোধমূলক হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোর প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র ও যুদ্ধবিমানের অবস্থান লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে এবং এতে ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে।

অভিযানের ভয়াবহতার বর্ণনা দিয়ে আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি বলেন, “ট্রাম্প প্রশাসনের এই ভুল হিসাবের পরিণতির মূল্য শত্রুকে অর্থনৈতিক ও সামরিক—উভয় ক্ষেত্রেই দিতে হবে।”

পরিস্থিতি মোকাবিলায় জর্ডান সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমায় অবৈধভাবে প্রবেশ করা আটটি ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাহায্যে সফলভাবে ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে ঘাঁটিগুলোতে অবকাঠামোগত ক্ষতির যে দাবি তেহরান করেছে, সে বিষয়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এখনো সরাসরি কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের চলমান এই সংঘাত দীর্ঘ ছয় মাস ধরে বিশ্ব বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক তেলের বাজারকে চরম অস্থিরতার মধ্যে রেখেছে। বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত মোট তেল ও এলএনজির প্রায় ২০ শতাংশ পরিবহনকারী কৌশলগত হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হয়ে পড়া এবং নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি ও ধ্বংসাত্মক প্রভাব পড়ার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

রিলায়েন্ট মিডিয়া

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.