× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

সমুদ্রপথে ইউরোপযাত্রায় গ্রিসে ধরা পড়লেন ৭২ বাংলাদেশি

ন্যশনাল ট্রিবিউন ডেস্ক:

০৮ আগস্ট ২০২৬, ০২:০০ এএম । আপডেটঃ ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০২:০১ এএম

ভূমধ্যসাগরীয় রুটে উদ্ধারকৃত অভিবাসীদের আইরাপাত্রা বন্দরে নিয়ে এসে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে গ্রিক কোস্টগার্ড। ফাইল ছবি: রয়টার্স

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টাকালে গ্রিসের দক্ষিণ ক্রিট দ্বীপ উপকূল থেকে গত ৪৮ ঘণ্টায় অন্তত ২০২ জন অবৈধ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করেছে ইউরোপীয় সীমান্ত ও কোস্ট গার্ড এজেন্সি (ফ্রন্টেক্স)। লিবিয়া থেকে বিপজ্জনক সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে আসা এসব উদ্ধারকৃতদের বড় অংশই বাংলাদেশি নাগরিক। টানা অভিবাসীদের এই নতুন ঢলে স্থানীয় অভ্যর্থনা কেন্দ্রগুলোর ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে গ্রিক কর্তৃপক্ষ।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ৪০ জন অভিবাসীকে বহনকারী একটি কাঠামো ফ্রন্টেক্সের নজরদারিতে আসে। পরে স্থানীয় কোস্টগার্ডের একটি টহল দল অন্য একটি মাছ ধরার নৌকার সাহায্যে তাঁদের আইরাপাত্রা বন্দরে নিয়ে যায়। এর কয়েক ঘণ্টা আগে আরও দুটি ট্রলারে করে দ্বীপে পৌঁছানো ১১২ জন অভিবাসীর মধ্য থেকেই ৭২ জন বাংলাদেশি, ৩১ জন সুদান এবং ৯ জন মিসরের নাগরিককে শনাক্ত করা হয়।

ডিমোক্রেটিয়া পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “ক্রিট দ্বীপে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত অভিবাসী চলে আসায় প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় জটিলতা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে সব অভিবাসীকে অস্থায়ী আশ্রয়ের জন্য হেরাক্লিয়ন বন্দরে স্থানান্তর করা হয়েছে, যেখানে তাঁদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরিচয় যাচাই-বাছাই চলছে।”

অভিযান চলাকালে মানবপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৬ বছর বয়সী এক দক্ষিণ সুদানীয় কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী। গ্রিক কর্তৃপক্ষের একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “ইয়েরাপেত্রার দক্ষিণ-পশ্চিমে আগের একটি অভিযানে উদ্ধার করা ৫০ জন অভিবাসীকে পাচারের মূল কারিগর হিসেবে ওই কিশোরকে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, লিবিয়ার তোব্রুক শহর থেকে নৌকার চালক হিসেবে তাঁদের ক্রিটে পৌঁছে দেওয়ার বিনিময়ে সে জনপ্রতি ১৫০০ থেকে ২০০০ মার্কিন ডলার গ্রহণ করেছিল।”

উত্তর আফ্রিকা বিশেষ করে লিবিয়া থেকে ক্রিট দ্বীপ হয়ে ইউরোপে প্রবেশের কৌশলগত রুটটি দিন দিন আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠলেও অভিবাসীদের এই বিপজ্জনক যাত্রা থামছে না। গ্রিক কোস্টগার্ড ও সীমান্ত নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তাদের সার্বক্ষণিক নজরদারি জোরদার করেছে, তবে অভিবাসীদের এই ধারাবাহিক চাপ দক্ষিণ ইউরোপের দেশগুলোর জন্য বড় ধরনের সামাজিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

রিলায়েন্ট মিডিয়া

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.