× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

আমেরিকা হিংস্রতা দেখালে আরও কঠোর জবাব: জর্ডানে হামলার পর ইরান

ন্যাশনাল ট্রিবিউন ডেস্ক:

১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৩ এএম । আপডেটঃ ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৬ এএম

ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ক্বাদির। ফাইল ছবি

জর্ডানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মজুতকেন্দ্র ও গোলাবারুদ সংরক্ষণাগার লক্ষ্য করে এক নিখুঁত ও বিধ্বংসী ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মহাকাশ বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত এই আকস্মিক ও সমন্বিত প্রতিশোধমূলক অভিযানে ঘাঁটিটির প্রধান সামরিক অবকাঠামোগুলোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (১৪ জুলাই) ভোরে আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক জরুরি বিবৃতিতে এই হামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলা হয়েছে। এ অভিযান পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি ও রসদ সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর একটি বড় ধরনের ধাক্কা।

আইআরজিসি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে দুটি নিয়মভঙ্গকারী অননুমোদিত বাণিজ্যিক জাহাজকে ইরানের নৌবাহিনী প্রতিহত করার পর। মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় ঘাঁটি ও টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর ওপর বর্বর হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের সেই আগ্রাসনের মোক্ষম জবাব হিসেবেই জর্ডানের এই মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাত হেনেছে তেহরান। একই সময়ে বিদেশি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তির যৌথ সক্ষমতা প্রদর্শনের অংশ হিসেবে ইরানের সেনাবাহিনী কুয়েতে অবস্থিত একটি মার্কিন প্যাট্রিয়ট বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, একটি রাডার স্থাপনা ও গোলাবারুদ গুদাম এবং বাহরাইনে মার্কিন যোগাযোগ পরিকাঠামো লক্ষ্য করে সফল ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "যুক্তরাষ্ট্র যদি এই অঞ্চলে তার হিংস্র শত্রুতা ও আগ্রাসন অব্যাহত রাখে। তাহলে এর জবাবে ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার শিকার হবে। মুজাহিদদের এই প্রতিশোধমূলক অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে এবং ইরান নিজের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা স্বার্থের বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকির জবাবে সর্বোচ্চ কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"

হামলা পরবর্তী স্যাটেলাইট চিত্রে প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটির বিভিন্ন স্থানে দৃশ্যমান অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ও অস্বাভাবিকতার চিত্র ফুটে উঠেছে বলে দাবি করেছে তেহরান। এই হামলার ফলে লোহিত সাগর ও ওমান উপসাগর সংলগ্ন মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ এক চরম যুদ্ধাবস্থার দিকে ধাবিত হচ্ছে। মার্কিন পেন্টাগন কিংবা জর্ডান প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো পাল্টা বক্তব্য না এলেও, আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বড় ধরনের সীমাবদ্ধতাকেই প্রকাশ করে দিল।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.