× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

৩০ দিন হরমুজ প্রণালি ইরানের নিয়ন্ত্রণে: ওয়াশিংটনকে আরাগচি

ন্যাশনাল ট্রিবিউন ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ০১:০৩ এএম । আপডেটঃ ২৯ জুন ২০২৬, ০২:০৯ এএম

যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি (বাঁয়ে) এবং ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফুএএফপ হোসেইন। বাগদাদ, ইরাক। ২৮ জুন ২০২৬। ছবি: এএফপি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধ-পরবর্তী সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী আগামী ৩০ দিন কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ সম্পূর্ণভাবে ইরানের একক নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ওয়াশিংটনকে চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, এই জলপথে যেকোনো ধরনের একতরফা হস্তক্ষেপ বা উসকানি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান এই রুটটি পুনরায় সচল করার প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করবে।

গতকাল রোববার (২৮ জুন) বাগদাদে ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি করেন। 

ইরানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া ভঙ্গুর দ্বিপক্ষীয় চুক্তির অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করতে গতকাল ইরাক সফরে যান আব্বাস আরাগচি। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ইরাকে এটিই তাঁর প্রথম উচ্চপর্যায়ের সরকারি সফর।

সংবাদ সম্মেলনে আরাগচি বলেন, "আগামী ৩০ দিন হরমুজ প্রণালির সার্বিক দেখাশোনা ও ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণভাবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের হাতেই থাকবে। চুক্তি অনুযায়ী বিষয়টি একদম পরিষ্কার। এখানে অন্য কোনো পক্ষ বা দেশের কোনো ভূমিকা নেই।"

তিনি আরও জানান, উদ্ভূত সব বাধা দূর হওয়ার পর এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলপথটি আগের মতো পুরোপুরি সচল করা হবে। বর্তমানে তেহরান সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।

তবে এই সমঝোতা টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে মার্কিন প্রশাসনের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, "তাদের (যুক্তরাষ্ট্রের) উচিত সই করা এই সমঝোতা চুক্তি মেনে চলা এবং এটিকে কোনোভাবেই ভেস্তে না দেওয়া। কোনো হস্তক্ষেপ করা হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।"

ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তেহরান ও ওয়াশিংটন যখন দীর্ঘ সংঘাতের পর বৈরিতা কমিয়ে একটি ভঙ্গুর শান্তিচুক্তি টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। ঠিক তখনই আরাগচির এই সফর ও মন্তব্য সামনে এলো। দুই পক্ষের মধ্যে এখনো মাঝেমধ্যে বিক্ষিপ্ত সামরিক হামলা চলায় পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল ও সংবেদনশীল অবস্থায় রয়েছে।

ইরাকি কর্মকর্তাদের সূত্রমতে, আরাগচির এই সফরে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ, আন্তর্জাতিক ব্যাংকে ইরানের আটকে থাকা সম্পদ পুনরুদ্ধার এবং যুদ্ধ-পরবর্তী ওয়াশিংটন-তেহরান সমঝোতা বাস্তবায়নের মতো বিষয়গুলোই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে। আগামী ৩০ দিন এই জলপথে মার্কিন বা পশ্চিমা নৌবাহিনীর অবস্থান এবং ইরানের একক কর্তৃত্বের ওপরই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা।


তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা


National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.