× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

ভারতের তিন রাজ্য ও পদুচেরিতে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন: ভাগ্য নির্ধারণ ৪ মে

ন্যাশনাল ট্রিবিউন ডেস্ক

১০ এপ্রিল ২০২৬, ১৩:১৫ পিএম । আপডেটঃ ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১৩:১৫ পিএম

৯ এপ্রিল ২০২৬। আসামের একটি ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ সারি। কড়া নিরাপত্তা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হলো বিধানসভা নির্বাচনের এই গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ছবি: এএনআই

ভারতের দক্ষিণ ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজনৈতিক সমীকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তিন রাজ্য কেরালা, আসাম এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পদুচেরিতে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে জনমানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল লক্ষ্যণীয়। আগামী ৪ মে চূড়ান্ত ভোট গণনার পর নির্ধারিত হবে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের ক্ষমতার পালাবদল নাকি বর্তমান স্থিতাবস্থার নিরবচ্ছিন্নতা।

নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি আসনেই ভোটারদের দীর্ঘ সারি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের গভীর আস্থার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যে দেখা যায়, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পদুচেরিতে সর্বোচ্চ ৮৬.৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে। আসামে এই হার ৮৪.৪২ শতাংশ এবং কেরালায় ৭৫.০১ শতাংশ। মূলত বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত কিংবা বর্তমান শাসনের প্রতি জনসমর্থন যাচাইয়ের এই লড়াইয়ে সাধারণ মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

কেরালার ১৪০টি আসনে এবার মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে ক্ষমতাসীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এলডিএফ), কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ) এবং বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-র মধ্যে। প্রায় ২ কোটি ৭১ লাখ ভোটারের এই রাজ্যে ৮৮৩ জন প্রার্থীর ভাগ্য এখন ব্যালট বাক্সে বন্দি।

অন্যদিকে, আসামের ১২৬টি আসনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার লক্ষ্য নিয়ে লড়ছে। তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন জোট, যাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে রাইজর দল ও সিপিআই (এম)-এর মতো শক্তিগুলো। ২ কোটি ৫০ লাখের বেশি ভোটারের এই রাজ্যে ৭২২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বিধানসভা নির্বাচনের পাশাপাশি নাগাল্যান্ড, কর্ণাটক এবং ত্রিপুরার কয়েকটি শূন্য আসনে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদায়ী প্রতিনিধিদের মৃত্যুজনিত কারণে শূন্য হওয়া এই আসনগুলো প্রধান দলগুলোর জন্য নিজেদের শক্তিমত্তা প্রমাণের এক ভিন্ন ক্ষেত্র তৈরি করেছে। উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর থেকে শুরু করে কর্ণাটকের বাগলকোট পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা এই উপ-নির্বাচনগুলো মূল নির্বাচনের ফলাফলেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দীর্ঘ নির্বাচনী প্রচারণার পর এখন কেবল ফলাফলের অপেক্ষা। দক্ষিণ ভারতের শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র কেরালা, উত্তর-পূর্ব ভারতের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য আসাম এবং পদুচেরির এই নির্বাচন কেবল আঞ্চলিক ক্ষমতার লড়াই নয়, বরং ভারতের জাতীয় রাজনীতিতেও আগামী দিনের দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে। ৪ মে ভোট গণনার মধ্য দিয়েই স্পষ্ট হবে, জনগণ উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় আস্থা রেখেছে নাকি নতুন নেতৃত্বের জয়গান গেয়েছে।


তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.