ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতবা খামেনেয়ীকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শাহবাজ শরিফ। এক বার্তায় তিনি তেহরান ও ইসলামাবাদের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সম্প্রতি আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ীর প্রয়াণে পাকিস্তানে যে শোকের ছায়া নেমে এসেছিল, তার রেশ ধরে শাহবাজ শরিফ আবারও গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। তিনি ইরানের এই ক্রান্তিলগ্নে নতুন নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা জ্ঞাপন করেছেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী তার অভিনন্দন বার্তায় উল্লেখ করেন, পাকিস্তান ও ইরানের মধ্যকার সম্পর্ক কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং এর শিকড় প্রোথিত রয়েছে অভিন্ন ঈমান, ভাষা, সংস্কৃতি এবং সুদীর্ঘ ইতিহাসে। এই সংবেদনশীল সময়ে নতুন নেতার অভিষেককে তিনি এক 'অনন্য ও ঐতিহাসিক সুযোগ' হিসেবে অভিহিত করেন।
শাহবাজ শরিফ বলেন, "নিঃসন্দেহে এটি ভ্রাতৃপ্রতিম ইরান এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য একটি কঠিন সময়। তবে আমরা বিশ্বাস করি, আপনার বিজ্ঞ নেতৃত্বে ইরানি জাতি শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং অনন্য সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।"
প্রধানমন্ত্রী শরিফ জানান, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব বিষয়ে পাকিস্তান ইরানের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতার সুস্বাস্থ্য এবং ইরানি জনগণের অব্যাহত মঙ্গল কামনা করে তার বার্তা শেষ করেন।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান ও ইরানের এই হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।