× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

ভারতের বাঁধ নির্মাণের অপেক্ষা করবো, বানানো শেষে ১০টি মিসাইল মারবো

ন্যাশনাল ট্রিবিউন ডেস্ক

১১ আগস্ট ২০২৫, ০২:২৮ এএম । আপডেটঃ ১১ আগস্ট ২০২৫, ১৩:৩৭ পিএম

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ডমার্শাল অসীম মুনির

মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ডমার্শাল অসীম মুনির। দেশটির রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন পর্যায়ের উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি।

এরমধ্যে ফ্লোরিডায় টাম্পায় তার জন্য একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সেখানে ভারতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন হুমকি দিয়েছেন পাক সেনাপ্রধান। তিনি বলেছেন, যদি পাকিস্তানের অস্তিত্ব হুমকির মুখোমুখি হয় এবং পাকিস্তান ধ্বংসের মুখে পড়ে তাহলে পুরো বিশ্বের অর্ধেক ধসিয়ে দেব। এরপর নিজেরা ধ্বংস হবো। তিনি মূলত এই অঞ্চলে পারমাণবিক যুদ্ধের হুমকি দিয়েছেন।

অসীম মুনির বলেন, “আমরা পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। যদি আমরা মনে করি আমরা ধ্বংস হচ্ছি। তাহলে আমাদের সঙ্গে বিশ্বের অর্ধেককে ধসিয়ে নিয়ে যাব।”

চলতি বছরের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চারদিনের সংঘাত হয়। এর আগে, গত এপ্রিলে ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের পেহেলগামে সশস্ত্র হামলায় ২৬ জন নিহত হন। ওই হামলার জেরে পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু নদ চুক্তি বাতিল করে ভারত। নয়াদিল্লি হুমকি দেয়, সিন্ধুর পানি আর পাকিস্তানকে দেওয়া হবে না।

পাক সেনাপ্রধান যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে বলেছেন, সিন্ধু নদীতে ভারতের বাঁধ নির্মাণ করার জন্য তারা অপেক্ষা করবেন। যখনই বাঁধটি বানানো শেষ হবে তখনই মিসাইল মেরে এটি ধসিয়ে দেবেন।

অসীম মুনির বলেন, “আমরা বাঁধ নির্মাণের জন্য অপেক্ষা করব। যখন বানানো শেষ হবে; ১০টি মিসাইল মেরে এটি ধ্বংস করে দেব। সিন্ধু নদ ভারতের পারিবারিক সম্পত্তি নয়। আমাদের মিসাইলের কোনও অভাব নেই। ”

বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ১৯৬০ এর দশকে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু নদ চুক্তি হয়। এর মাধ্যমে সিন্ধুর অববাহিকা থেকে আসা তিনটি নদীর পানি পায় পাকিস্তান।

বিষয় : পাকিস্তান

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.