রাশিয়ার সীমান্তবর্তী কুর্স্ক অঞ্চলে ঢুকে পড়ে ইউক্রেইনীয় সেনাদের হামলার উদ্দেশ্য নিয়ে মুখ খুলেছেন ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির শীর্ষ উপদেষ্টা মিখাইলো পোদোলিয়াক।
তিনি বলেছেন, রাশিয়াকে যুদ্ধ অবসানে ষুষ্ঠু একটি শান্তি আলোচনায় বসতে বাধ্য করাই এই আক্রমণের অন্যতম উদ্দেশ্য।
স্যোশাল মিডিয়ায় এক বিবৃতিতে পোদোলিয়াক বলেন, “ইউক্রেইন রাশিয়ার ভূখণ্ড দখল করতে আগ্রহী নয়। তবে আমরা যদি আলোচনার সম্ভাবনার কথা বলি… আমি সম্ভাবনার ওপরই জোর দিচ্ছি…সেক্ষেত্রে আমাদেরকে টেবিলের অপরপ্রান্তে রাশিয়াকে রাখতে হবে।
“ইউক্রেইন দেখিয়ে দিচ্ছে যে, তারা রাশিয়ার ভূখণ্ড দখল করতে সক্ষম। আর এটাই হবে রাশিয়াকে আলোচনায় বসতে চাপে ফেলার একটি প্রমাণিত এবং কার্যকর উপায়,” বলেন তিনি।
রাশিয়াকে ষুষ্ঠু আলোচনা প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত করতে কুর্স্কে কীভাবে সামরিক হাতিয়ার ব্যবহার হচ্ছে সেটি স্পষ্টতই দৃষ্টিগোচর হচ্ছে উল্লেখ করে পোদোলিয়াক বলেন, “ইউক্রেইনের এই হামলা রাশিয়ার জনমতকেও প্রভাবিত করবে। কারণ, রাশিয়া স্পষ্টতই ভীত। ইউক্রেইনীয় বাহিনীর রুশ ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ার সক্ষমতা দেখে তারা হতবাক হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়ার জনগণের মনস্তত্ত্বে নেতিবাচক পরিবর্তন আলোচনা শুরুর ক্ষেত্রে আরেকটি যুক্তি দাঁড় করাবে।”
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেইনে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরুর পর এবারই প্রথম কিইভের সেনারা শত্রুভূমির অনেকখানি ভেতরে ঢুকতে সক্ষম হয়েছে।
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী কুর্স্ক অঞ্চলে ইউক্রেইনের সেনারা গত ৬ অগাস্টে হঠাৎ করেই ঢুকে পড়ে। এরপর সাত দিনেই রাশিয়ার ভূখন্ডের ১ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা দখলে নেওয়ার দাবি করে ইউক্রেইন।
দেশটির শীর্ষ সামরিক কমান্ডার বৃহস্পতিবার বলেছেন, কুর্স্কে তারা একটি সামরিক কমান্ড সেন্টার স্থাপন করেছেন। তিনি জানান, তাদের সেনারা এখনও অগ্রসর হয়ে চলেছে।