রাশিয়ার সীমান্তবর্তী কুর্স্ক অঞ্চলে ইউক্রেইনের আচমকা ঢুকে পড়ে হামলা করার পেছনে পশ্চিমা দেশগুলো এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন নেটো জোট সরাসরি পরিকল্পনায় জড়িত ছিল। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রভাবশালী এক সহযোগী নিকোলাই পাত্রুশেভ একথা বলেছেন।
গত ৬ অগাস্ট ইউক্রেইনের হাজার হাজার সেনা রাশিয়ার পশ্চিমা সীমান্ত পার হয়ে ভেতরে ঢুকে পড়ে। পুতিনের জন্য এ ছিল বড় ধরনের এক বিব্রতকর বিষয়।
যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা শক্তিধর দেশগুলো রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাত এড়িয়ে চলতেই আগ্রহী। তারা বলছে, ইউক্রেইন রাশিয়ায় ওই অনুপ্রবেশের বিষয়ে আগে থেকে কোনও নোটিশ দেয়নি। আর ওয়াশিংটন এ ঘটনায় জড়িত নয়। যদিও রাশিয়ার ভূখণ্ডে ইউক্রেইনের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের দেওয়া অস্ত্র ব্যবহারের খবর পাওয়া গেছে।
ইজভেস্তিয়া পত্রিকায় এক সাক্ষাৎকারে পশ্চিমাদের দেওয়া যুক্তি খারিজ করে দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সহযোগী পাত্রুশেভ।
তিনি বলেছেন, “কুর্স্কে ইউক্রেইনের সেনাদের অভিযান নেটো জোট এবং পশ্চিমা স্পেশাল সার্ভিসের অংশগ্রহণে পরিকল্পনা করা হয়েছিল।”
তবে একথার সপক্ষে কোনও প্রমাণ দেননি পাত্রুশেভ। তিনি বলেন, “তাদের অংশগ্রহণ এবং সমর্থন ছাড়া কিইভ রাশিয়ার ভূখণ্ডে ঢুকতে পারত না।”
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেইনে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরুর পর এই প্রথম কিইভের সেনারা শত্রুভূমির অনেকখানি ভেতরে ঢুকতে সক্ষম হয়েছে। রাশিয়ার সীমান্তবর্তী কুর্স্ক অঞ্চলে ইউক্রেইনের সেনারা গত ৬ অগাস্টে হঠাৎ করেই ঢুকে পড়ে। এরপর সাত দিনেই রাশিয়ার ভূখন্ডের ১ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা দখলে নেওয়ার দাবি করে ইউক্রেইন।
দেশটির শীর্ষ সামরিক কমান্ডার বৃহস্পতিবার বলেছেন, কুর্স্কে তারা একটি সামরিক কমান্ড সেন্টার স্থাপন করেছেন। তিনি জানান, তাদের সেনারা এখনও অগ্রসর হয়ে চলেছে।