× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

১৬ ডিসেম্বর খুলছে থার্ড টার্মিনাল, ৭৩% রাজস্বে ১৫ বছরের জন্য পাচ্ছে জাপান

ন্যাশনাল ট্রিবিউন প্রতিবেদক

২২ মে ২০২৬, ০৩:৫৩ এএম । আপডেটঃ ২২ মে ২০২৬, ০৩:৫৪ এএম

উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দৃষ্টিনন্দন তৃতীয় টার্মিনালের অভ্যন্তরীণ স্থাপত্যশৈলী। ফাইল ছবি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে চালুর পথে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল (থার্ড টার্মিনাল)। পরিচালনাসংক্রান্ত প্রায় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী ১৬ জুলাই জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি সইয়ের প্রস্তুতি নিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। এই চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামী ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবসে বহুল কাঙ্ক্ষিত এই টার্মিনালটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

প্রস্তাবিত সমঝোতা অনুযায়ী, থার্ড টার্মিনাল পরিচালনার চারটি প্রধান খাত—এমবার্কেশন ফি, দোকান ও লাউঞ্জ ভাড়া, কার্গো হ্যান্ডলিং চার্জ এবং কার পার্কিং ভাড়া থেকে অর্জিত রাজস্বের ৭৩ শতাংশ পাবে জাপানি পক্ষ এবং বাকি ২৭ শতাংশ পাবে বাংলাদেশ। অবকাঠামোগত নির্মাণকাজ প্রায় দুই বছর আগে শেষ হলেও পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও আয় বণ্টন নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে এতদিন এর চালুর প্রক্রিয়া আটকে ছিল, যা সম্প্রতি জাপানি পক্ষের প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকার বকেয়া বিল পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়ার পর গতি পায়।

বেবিচকের সদস্য (অপারেশন) এয়ার কমডোর আবু সাঈদ মেহবুব খান বলেন, "সবকিছু প্রায় চূড়ান্ত। গত ১৭ মে জাপানি প্রতিষ্ঠানকে রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল (আরএফপি) জমা দেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করছি ১৬ জুলাই চুক্তি সই হবে। সরকার ১৬ ডিসেম্বর টার্মিনাল চালুর যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, আমরা সে অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নিচ্ছি।"

চুক্তির আওতায় বিপুল রাজস্ব জাপানি কনসোর্টিয়ামের ঝুলিতে গেলেও বিমানবন্দরের কৌশলগত ও নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকছে বাংলাদেশের হাতেই। ওভারফ্লাইং চার্জ ও বিমান অবতরণ ফি সরাসরি বেবিচকের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, পাশাপাশি কাস্টমস, নিরাপত্তা ও ইমিগ্রেশন কার্যক্রমও পরিচালনা করবে বাংলাদেশ। জাপানি প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, টোকিওর হানেদা ও নারিতা বিমানবন্দর পরিচালনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আগামী ১৫ বছরে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রী ও কার্গো সক্ষমতা দ্বিগুণ করা সম্ভব হবে।

নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, বিশ্বমানের এই ব্যবস্থাপনা চালু হলে জাইকার ঋণ পরিশোধের চাপ কমার পাশাপাশি নতুন আন্তর্জাতিক রুট ও বিদেশি বিনিয়োগের দুয়ার উন্মোচিত হবে। থার্ড টার্মিনাল পুরোদমে কার্যকর হলে দেশের এভিয়েশন খাতে এক অভূতপূর্ব রূপান্তর ঘটবে, যা যাত্রীসেবার মান বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক রপ্তানি বাণিজ্যকে আরও গতিশীল করবে।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.