দেশের আইসিটি খাতের পেশাজীবীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ আইটি প্রফেশনালস নেটওয়ার্ক (বিআইটিপিএন) এক অনন্য আয়োজনের মাধ্যমে উদ্যাপন করল ‘গ্র্যান্ড ইফতার গেট-টুগেদার’। গত শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর গুলশান অ্যাভিনিউয়ের তুর্কি রেস্টুরেন্ট ‘আদানা সোফরাসি’-তে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। এতে বৈশ্বিক ও দেশীয় আইসিটি খাতের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিশিষ্টজনদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রযুক্তি খাতের এক মিলনমেলায় পরিণত হয় পুরো প্রাঙ্গণ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সংগঠনের সভাপতি ফারুক আজম আরশাদ এবং সহ-সভাপতি এস. এম. সাজ্জাদ হোসেন আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বাগত জানান। শামীম আজাদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিআইটিপিএন-এর নির্বাহী কমিটির সদস্যরা সংগঠনের লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোকপাত করেন।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও পরিচালক নোমান হায়দার তার বক্তব্যে দেশের আইসিটি খাতের বিকাশে বিআইটিপিএন-এর দীর্ঘমেয়াদী অবদান এবং ডিজিটাল অবকাঠামো বিনির্মাণে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। সাধারণ সম্পাদক মো. জুয়েল চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক নাজমুস সাকিব এবং কোষাধ্যক্ষ এম. এ. তাহের তাদের বক্তব্যে সংগঠনের সংহতি ও আগামীর ভিশন নিয়ে আলোকপাত করেন।
বিআইটিপিএন-এর বিভিন্ন স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ও কো-চেয়ারম্যানরা তাদের নিজ নিজ বিভাগের লক্ষ্যমাত্রা বর্ণনা করেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, জনসংযোগ, সদস্য কল্যাণ, প্রশিক্ষণ ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে সংগঠনের পেশাদারিত্ব বজায় রাখার ওপর জোর দেন কমিটির নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানটি কেবল প্রযুক্তি খাতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, এতে যোগ দিয়েছিলেন দেশের স্বনামধন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, আরএমজি সেক্টর, স্বাস্থ্যসেবা এবং হসপিটালিটি খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা। এই বহুমাত্রিক উপস্থিতি আইটি পেশাজীবীদের সাথে অন্যান্য খাতের সমন্বয় ও উদ্ভাবনী উদ্যোগের নতুন দ্বার উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এই জমকালো ইফতার আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল দেশের দ্রুত বর্ধনশীল ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘রেস অনলাইন লিমিটেড’। নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ উচ্চগতির ডেটা সংযোগ প্রদানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশের ডিজিটাল কানেক্টিভিটিতে বিশেষ অবদান রেখে আসছে।
আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে শেষ হওয়া এই আয়োজনটি দেশের আইটি পেশাজীবীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভবিষ্যৎ উদ্ভাবনী যাত্রাকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।