× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

বদলে যেতে পারে এসএসসি পরীক্ষার নাম

ন্যাশনাল ট্রিবিউন রিপোর্ট

২৮ মার্চ ২০২৪, ১০:০৪ এএম । আপডেটঃ ২৮ মার্চ ২০২৪, ১০:০৫ এএম

ছবি: সংগৃহীত

সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট বা এসএসসি পরীক্ষার নাম বদলে যেতে পারে। নতুন শিক্ষাক্রমে দশম শ্রেণি শেষে এ পরীক্ষার ধরন ও পদ্ধতি আমূল বদলে ফেলায় নাম বদলের কথাও ভাবা হচ্ছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

নতুন কারিকুলামে ২০২৬ সালে নতুন পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে এসএসসি পরীক্ষা। সেখানে এ পরীক্ষার নতুন কোনো নাম দেওয়া হতে পারে। তবে নতুন নাম কী হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। 

এনসিটিবি জানিয়েছে, বর্তমানে যারা নবম শ্রেণিতে পড়ছে, তারা প্রথমবার নতুন কারিকুলামে ২০২৬ সালে ‘এসএসসি’ পরীক্ষায় অংশ নেবে। তবে তখন পরীক্ষা বা মূল্যায়ন হবে শুধু দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের ওপর। দশম শ্রেণির ১০টি বিষয়ের প্রতিটির ওপরই পরীক্ষা বা মূল্যায়ন হবে। এর মধ্যে একটি অংশের মূল্যায়ন হবে বিদ্যালয়েই শিখনকালীন। বাকি আরেকটি অংশের মূল্যায়ন হবে কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীন। এখনকার মতোই কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা ঠিক করে হবে এ পরীক্ষা।

শিখনকালীন ও পাবলিক পরীক্ষার মূল্যায়ন সমান গুরুত্ব পাবে। সে ক্ষেত্রে আগের নাম (এসএসসি) অনুযায়ী পরীক্ষা হবে নাকি নতুন নামে এ পরীক্ষাকে অভিহিত করা হবে, সে বিষয়ে শিগগির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 

এনসিটিবি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ফরহাদুল ইসলাম বলেন, নতুন শিক্ষাক্রমের মূল্যায়ন পদ্ধতিসহ নানা বিষয় যুক্ত করে একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছে। তবে এটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। চূড়ান্ত হওয়ার পর পাবলিক পরীক্ষার নাম কী হবে, তা বলা যাবে।

এনসিটিবির খসড়া অনুযায়ী– দশম শ্রেণির পর যে পাবলিক পরীক্ষা হবে, তাতে প্রতিটি বিষয়ের মূল্যায়ন হবে এক কর্মদিবসের সর্বোচ্চ পাঁচ ঘণ্টায়। বিরতি দিয়ে হবে এ পরীক্ষা। এর মধ্যে একটি অংশের মূল্যায়নে অনুসন্ধান, প্রদর্শন, মডেল তৈরি, উপস্থাপন, পরীক্ষণ, পরিকল্পনা প্রণয়ন ইত্যাদি বিষয় থাকবে; অর্থাৎ হাতে-কলমে শেখার বিষয়টি মূল্যায়ন করা হবে।

আরেকটি অংশে থাকবে লিখিত পরীক্ষা। সেখানে লিখিত উত্তরপত্র ব্যবহার করা হবে। লিখিত পরীক্ষার অংশ বিষয়ভেদে এক ঘণ্টা থেকে দুই ঘণ্টাও হতে পারে। সময় এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেন, মূল্যায়ন পদ্ধতি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে চূড়ান্ত করার বিষয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে। ভালো কিছু হবে বলে আশা করছি।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.