কোটা সংস্কারের আন্দোলনের সময় রাজধানীর শাহবাগে পুলিশের সাঁজোয়া যান ও জল কামান ভাঙচুরের অভিযোগে মামলা হয়েছে।
পুলিশের একটি সাঁজোয়া যানের (এপিপি) চালক কনস্টেবল খলিলুর রহমান শুক্রবার এই মামলা করেন।
মামলায় আসামির সংখ্যা অজ্ঞাত বলে জানান শাহবাগ থানার ওসি মোস্তাজিরুর রহমান।
মামলায় দুটি যানবাহনে জোর করে উঠে ‘উদ্দাম নৃত্য’ ও ভাঙচুর করে পাঁচ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন আন্দোলনকারীরা। মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে বিকাল ৫টার দিকে শাহবাগে এসে অবস্থান নেয়।
আন্দোলনকারীদের একাংশ বাংলামোটরের দিকে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। শেষ পর্যন্ত তারা শাহবাগেই অবস্থান নেন। এসময় পুলিশ ইন্টারকন্টিনেন্টালের দিকে সরে গেলেও তাদের একটি সাঁজোয়া যান (এপিসি) শিক্ষার্থীদের মাঝে পড়ে যায়। শিক্ষার্থীরা যানটির ওপর উঠে বিক্ষোভ দেখান।
এতে সাঁজোয়া যানটির দুটি এসএস স্ট্যান্ড, রেডিও অ্যান্টেনা, মাডগার্ড, জল কামান ও লুকিং গ্লাস ভেঙ্গে যায় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করলেও তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে।
পুলিশকে লক্ষ্য করে পানির বোতল, টেপটেনিস বল ও ইটের টুকরা ছুড়ে মারে। এতে কয়েকজন পুলিশ আঘাত পান।
মামলায় সরকারি কাজে বাধা, কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা, ক্ষতিসাধন ও ভয়ভীতি দেখানোয় ১৪৩/১৪৭/১৪৯/১৫২/৩৪১/৩২৩/৩৩২/৩৫৩/৪২৭/৫০৬ ধারায় অভিযোগ করা হয়।