× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

শ্রমিক অসন্তোষে অর্থ জোগাচ্ছে পলাতক স্বৈরাচার ও তাদের দোসররা: রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী

ন্যাশনাল ট্রিবিউন প্রতিবেদক:

২০ অক্টোবর ২০২৬, ২৩:২৯ পিএম । আপডেটঃ ২০ অক্টোবর ২০২৬, ২৩:৩১ পিএম

মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: পিএমও

দেশের বিভিন্ন স্থানে ও কলকারখানায় চলমান শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে সীমান্তপারের পলাতক স্বৈরাচারী শক্তি এবং অভ্যন্তরীণ কতিপয় রাজনৈতিক দলের গোপন জোট কাজ করছে বলে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে এবং বর্তমান গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে পলাতক স্বৈরাচারী চক্র থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থায়ন করা হচ্ছে।

রাজশাহীর জনসভায় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ষড়যন্ত্রের রূপরেখা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, যে স্বৈরাচার পালিয়ে গিয়েছে, তারা সেখানে অর্থ সরবরাহ করছে। কাদের সাহায্যে করছে? এই যে কটি দল আছে, যারা ভ্রান্তি ছড়ায় দেশের মধ্যে। তারা বিভিন্ন টিকিট বিক্রি করার চেষ্টা করেছিল নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে। এই দুই পক্ষ এক হয়েছে।" এ সময় তিনি আরও যোগ করেন, সীমান্তের ওপার থেকে অর্থায়ন আর দেশের ভেতরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির এই অপচেষ্টা জনগণ সফল হতে দেবে না।

জনসভার আগে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী অঞ্চলের ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষিকে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে একযোগে ১২ কোটি টাকার সরকারি প্রণোদনা প্রদান করেন। এর আগে দুপুরে তিনি রংপুর নগরের ধর্মসভা রাধাগোবিন্দ মন্দির পরিদর্শন করেন এবং মন্দিরের উন্নয়নে ১০ লাখ টাকার অনুদান ঘোষণা করেন। রংপুর মন্দিরে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার কেবল যাঁরা ভোট দিয়েছেন তাদেরই নয়, বরং দেশের প্রতিটি নাগরিকের সরকার হিসেবে কাজ করতে বদ্ধপরিকর।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকার সর্বদা জনগণের মৌলিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধারণ করে রাজনীতি করে। তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে রাজধানীতে স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করা হলেও কতিপয় রাজনৈতিক দল মুখে জুলাইয়ের কথা বললেও বাস্তবে শহীদদের রক্তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে। জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, একাত্তরের মতো চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পরেও তারা জনগণের সঙ্গে প্রতারণার নীতি অব্যাহত রেখেছে।

এ অঞ্চলের দীর্ঘদিনের পানির সংকট নিরসনে বর্তমান সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেন যে, পদ্মা ও তিস্তা নদীতে ব্যারাজ নির্মাণের মাধ্যমে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হবে। পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে বন্ধ থাকা কলকারখানাগুলো পুনরায় চালুর পাশাপাশি বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানান তিনি।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এবং দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। জনসভা শেষে প্রধানমন্ত্রী বিমানযোগে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রাজশাহী ত্যাগ করেন।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

রিলায়েন্ট মিডিয়া

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.