× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হচ্ছে: পেট্রোবাংলা

ন্যাশনাল ট্রিবিউন প্রতিবেদক:

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:৩২ পিএম । আপডেটঃ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:৫৩ পিএম

গ্যাস। প্রতীকী ছবি

সমুদ্রে বৈরী আবহাওয়া কেটে যাওয়ার পর কক্সবাজারের মহেশখালী ভাসমান টার্মিনালে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) স্থানান্তর পুনরায় শুরু হয়েছে। এর ফলে মহেশখালীর টার্মিনাল থেকে পাইপলাইনে সরবরাহ বাড়ায় এক দিনের সাময়িক সংকট কাটিয়ে সারা দেশে গ্যাস পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় খনি ও জ্বালানি সংস্থা বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া কমায় মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে পৌঁছানো এলএনজি কার্গো থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণ ও পাইপলাইনে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। ফলে ভোক্তা পর্যায়ে সরবরাহ সংকট দ্রুত কেটে যাচ্ছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সমুদ্রে উত্তাল পরিস্থিতির কারণে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজিবাহী কার্গো থেকে গ্যাস স্থানান্তর সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হয়। এতে এক দিনেই পাইপলাইনে গ্যাসের সরবরাহ প্রায় ৪০ কোটি ঘনফুট কমে যায়, যার ফলে আবাসিক, শিল্প ও বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে সাময়িক ভোগান্তি তৈরি হয়।

পেট্রোবাংলার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে দিনে গ্যাসের সার্বিক চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ২৬৫ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছিল। এমনকি বুধবারও সরবরাহ ছিল ২৬০ কোটি ঘনফুট। কিন্তু আবহাওয়া পরিস্থিতির অবনতিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সরবরাহ নেমে আসে ২২০ কোটি ঘনফুটে। তবে শুক্রবার সকাল ১০টা নাগাদ সরবরাহ ফের বাড়িয়ে ২৩৪ কোটি ঘনফুটে উন্নীত করা হয়েছে।

বাংলাদেশে সরবরাহ করা মোট গ্যাসের প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ আসে আমদানিকৃত এলএনজি থেকে। কক্সবাজারের মহেশখালীতে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি এবং দেশীয় সামিট গ্রুপের দুটি ভাসমান টার্মিনাল (FSRU) রয়েছে, যেগুলোর সম্মিলিত পুনঃরূপান্তর (Regasification) ক্ষমতা দৈনিক ১০৫ কোটি ঘনফুট।

পেট্রোবাংলার এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, "গত কয়েক দিন ধরে টার্মিনাল দুটি থেকে দৈনিক প্রায় ১০০ কোটি ঘনফুট এলএনজি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল। দুর্যোগের কারণে বৃহস্পতিবার তা নেমে এসেছিল ৫৯ কোটি ঘনফুটে। শুক্রবার সকালেই তা বাড়িয়ে ৭৩ কোটি ঘনফুটে উন্নীত করা হয়েছে এবং দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সরবরাহ স্বাভাবিক মাত্রায় পৌঁছাবে।"

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের গ্যাস সরবরাহে আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সামুদ্রিক আবহাওয়া প্রাকৃতিক ঝুঁকির বড় একটি কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে দ্রুততম সময়ে কার্গো থেকে এলএনজি স্থানান্তর শুরু হওয়ায় কারখানা ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা কেটে গেছে।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

রিলায়েন্ট মিডিয়া

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.