× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

কচুয়ায় ঘর থেকে মা, ছেলে ও নানির লাশ উদ্ধার

ডাকাতি না শত্রুতা, রহস্যের খোঁজে পুলিশ

ন্যশনাল ট্রিবিউন প্রতিবেদক:

০৫ আগস্ট ২০২৬, ২১:২৬ পিএম । আপডেটঃ ০৫ আগস্ট ২০২৬, ২১:৩০ পিএম

বাগেরহাটের কচুয়ার চান্দেরকোলা গ্রামে বসতঘর থেকে একই পরিবারের তিনজনের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধারের পর নিহতদের বাড়ির সামনে ভিড় জমান উৎসুক এলাকাবাসী। ছবি: সংগৃহীত

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার রাড়ীপাড়া ইউনিয়নের চান্দেরকোলা গ্রামে নিজ বসতঘর থেকে মা, ছেলে ও নানির লাশ উদ্ধারের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কচুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। নিহত মনিরা বেগমের বড় ছেলে ফয়সাল হাওলাদার বাদী হয়ে আজ বুধবার এই মামলা দায়ের করেন। একই দিনে ময়নাতদন্ত শেষে নিহতদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এটিকে একটি ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ দাবি করে স্বজনেরা জানায়, ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার খোয়া গেছে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন চান্দেরকোলা গ্রামের প্রয়াত আবদার আলী হাওলাদারের ছেলে ইলেকট্রিক মিস্ত্রি আহাদ হাওলাদার (২৫), তাঁর মা মনিরা বেগম (৬০) এবং নানি রাশিদা বেগম (৯৩)। পুলিশ ও স্থানীদের ধারণা, মঙ্গলবার দুপুরে হাত-পা বাঁধা ও রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হলেও এর অন্তত দুই দিন আগে (গত রোববার রাতে) কোনো এক সময় তাঁদের হত্যা করা হয়েছে। মরদেহে আঘাতের চিহ্ন দেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ধারণা করছে, হত্যাকাণ্ডে হাতুড়ি বা শাবল জাতীয় ভারী বস্তু ব্যবহার করা হয়েছে এবং গলায় ফাঁস দেওয়া হয়েছিল।

নিহত মনিরা বেগমের বড় ছেলে ও মামলার বাদী ফয়সাল হাওলাদার বলেন, "আমাদের কোনো শত্রু ছিল না। নতুন ঘরের ছাদ ঢালাইয়ের জন্য জমানো টাকাপয়সা এবং স্বর্ণালংকার সব মায়ের কাছেই ছিল। দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে সবাইকে হত্যা করে ঘরে থাকা টাকা ও গয়না লুট করে নিয়ে গেছে।"

কচুয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মাহামুদ হাসান বলেন, "ঘটনার নেপথ্যে সম্ভাব্য একাধিক কারণ সামনে রেখে তদন্ত চালানো হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ এবং অন্যান্য তদন্ত সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।"

পুলিশ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষ করার পর বিকেলে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নানি রাশিদা বেগমকে তাঁর নিজ গ্রাম বাগেরহাট সদরের বৃষ্টিপুরে এবং মা ও ছেলেকে চান্দেরকোলা গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। পুলিশ জানিয়েছে, ঘরের আসবাবপত্র ও মাটির মেঝেতে রক্তের দাগ এবং খোয়া যাওয়া মালামালের সূত্র ধরে তদন্ত এগোচ্ছে। এটি কেবলই ডাকাতির ঘটনা, নাকি এর পেছনে কোনো পূর্ব শত্রুতা কিংবা অন্য কোনো গভীর রহস্য লুকিয়ে রয়েছে—তা উন্মোচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক দল মাঠপর্যায়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

রিলায়েন্ট মিডিয়া

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.