× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

ভারতে পালানোর সময় যশোরের সীমান্তে চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী 'ডেভিড ইমন' গ্রেপ্তার

ন্যশনাল ট্রিবিউন প্রতিবেদক:

৩০ জুলাই ২০২৬, ০৩:২২ এএম । আপডেটঃ ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৩ এএম

যশোর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর সময় গ্রেপ্তার হওয়া চট্টগ্রামের একাধিক চাঞ্চল্যকর হত্যা ও চাঁদাবাজি মামলার আসামি মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমন। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের অন্তত ১৫টি হত্যা ও চাঁদাবাজি মামলার অভিযুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে 'ডেভিড ইমন'-কে ভারত সীমান্তে পালানোর সময় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) রাতে যশোর সীমান্ত এলাকা থেকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের একটি বিশেষ দল তাকে গ্রেপ্তার করে। ভারত থেকে দেশে প্রবেশের মাত্র চার দিনের মাথায় পুলিশি অভিযানের টের পেয়ে পুনরায় ভারতে আত্মগোপনে যাওয়ার সময় এই চিহ্নিত সন্ত্রাসী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জালে ধরা পড়েন।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) নাজিমুল হক বুধবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বিদেশে পলাতক আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে 'বড় সাজ্জাদ'-এর প্রধান সহযোগী হিসেবে ইমন দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে হত্যা, অস্ত্র সরবরাহ ও চাঁদা আদায়ের সাম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণ করে আসছিলেন।

গ্রেপ্তারকৃত আসামির যাতায়াত ও কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি নাজিমুল হক বলেন, "সন্ত্রাসী ইমন চার দিন আগে যশোর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে দেশে ঢোকেন। পুলিশের জোরদার অভিযানের তথ্য পেয়ে তিনি আবারও ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। ইমন প্রায়ই সীমান্ত পারাপার হয়ে আসা-যাওয়া করতেন। আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে, তার কাছে দুটি দেশি-বিদেশি পাসপোর্ট রয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে এই নেটওয়ার্কের বিস্তারিত জানা যাবে।"

ইমনের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাকলিয়া এলাকার জোড়া খুন এবং একই বছরের ২৩ মে রাতে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে বহুল আলোচিত সন্ত্রাসী 'ঢাকাইয়া আকবর' হত্যাসহ মারাত্মক সব অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায়, ইমনের কাছে অন্তত ১৫ থেকে ২০টি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রের মজুদ ছিল এবং বাকলিয়ার জোড়া খুনে মোটরসাইকেল ও শুটার ভাড়ার মূল সমন্বয়কারী ছিলেন তিনি।

এদিকে ইমনের গ্রেপ্তারের পর সাজ্জাদ বাহিনীর অপর শীর্ষ সহযোগী মো. রায়হানকে ধরতে মঙ্গলবার রাতেই নোয়াখালীর সেনবাগে এক চিরুনি অভিযান চালায় পুলিশ। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দেয়াল টপকে পালিয়ে যান অন্তত আটটি মামলার আসামি রায়হান। রায়হান ও ভারতে অবস্থানরত বড় সাজ্জাদের অধীনস্থ প্রায় ৫০ সদস্যের সশস্ত্র বাহিনীকে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

রিলায়েন্ট মিডিয়া

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.