× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

কুষ্টিয়া সীমান্তে নারী-শিশুসহ ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের

ন্যাশনাল ট্রিবিউন প্রতিবেদক

১২ জুন ২০২৬, ২১:৪২ পিএম । আপডেটঃ ১২ জুন ২০২৬, ২১:৪৪ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের (জোরপূর্বক অনুপ্রবেশ) চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় বাসিন্দাদের যৌথ প্রতিরোধে বিএসএফের এই প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।

আজ শুক্রবার ভোর পাঁচটার দিকে সীমান্তের ৪৯ নম্বর প্রধান পিলারের পাশ দিয়ে মাথাভাঙ্গা নদী পার করে এই অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালানো হয়। 

সীমান্তবর্তী প্রাগপুর এলাকার বাসিন্দারা জানান, ভোরবেলা হঠাৎ সীমান্তে হইচই শুনে তারা ছুটে যান। বিএসএফের সদস্যরা ভারতের অভ্যন্তর থেকে চারজন পুরুষ, চারজন নারী এবং চারটি শিশুকে জোরপূর্বক সীমান্ত পার করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হাসিব মার্কেট পর্যন্ত পাঠিয়ে দেয়। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা সংঘটিত হয়ে টহলরত বিজিবিকে খবর দিলে পরিস্থিতি পাল্টে যায়।

দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, সীমান্তের ৪৮ নম্বর পিলার সংলগ্ন নো-ম্যানস ল্যান্ড বা শূন্যরেখার একটি পাটক্ষেতে ওই ১২ জন অসহায় অবস্থায় অবস্থান করছেন। মাথাভাঙ্গা নদীর ওপারে বিএসএফের কঠোর নজরদারি এবং এপারে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে স্থানীয় ক্ষুব্ধ বাসিন্দা, বিজিবি সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীদের সতর্ক অবস্থান বজায় রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোবারক হোসেন বলেন, "ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠেই সীমান্তে শোরগোল শুনতে পাই। দ্রুত এসে দেখি, বিএসএফ সদস্যরা মাথাভাঙা নদী পার করে ১২ জনকে আমাদের হাসিব মার্কেট পর্যন্ত পাঠিয়ে দিয়েছে। আমরা সঙ্গে সঙ্গে বিজিবিকে জানাই। পরে আমরা ও বিজিবি মিলে ওদের আবার সীমান্ত পার করে শূন্যরেখায় ফেরত পাঠিয়ে দিই।"

এ বিষয়ে ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি দুপুরের দিকে সাংবাদিকদের জানান, অনুপ্রবেশের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের তাৎক্ষণিকভাবে শূন্যরেখায় ফেরত পাঠানো হয়েছে এবং সীমান্ত পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ বিজিবির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি আরও বলেন, "১২ জনকে শূন্যরেখায় ফেরত পাঠিয়ে আমরা তাদের ভারতীয় নাগরিক হিসেবে ফেরত নিতে বিএসএফকে চিঠি দিয়েছি। এ বিষয়ে বিকেল ৪টায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আমরা আমাদের সীমান্তে কড়া নজরদারি বজায় রেখেছি।"

এই ঘটনার পর থেকে প্রাগপুর সীমান্ত এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। বিজিবির পক্ষ থেকে টহল জোরদার করা হয়েছে এবং স্থানীয়দের সীমান্ত এলাকায় সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিকেল ৪টার পতাকা বৈঠকের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে শূন্যরেখায় আটকে থাকা এই ১২ জনের ভাগ্য।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.