দেশের হিসাব, অর্থ ও ব্যবস্থাপনা গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ গবেষকদের সম্মাননা জানালো দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের পদ্মা হল রুমে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে আইসিএমএবি রিসার্চ এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে তিনটি প্রধান ক্যাটাগরিতে মোট ১৪টি শীর্ষ গবেষণা প্রবন্ধকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ লক্ষ টাকা পুরস্কারসহ সম্মাননা পেয়েছেন অনুপ কুমার সাহা ও ইমরান খান। ৭৫ হাজার টাকা করে পুরস্কার পেয়েছেন মো. মামুনুর রশিদ, দেওয়ান মাহবুব হোসেন ও মো. সাইফুল আলম। ৫০ হাজার টাকা করে পুরস্কার পেয়েছেন সোহেল মেহেদী, শামসুন নাহার ও দায়ানা জালালুদ্দিন।
এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য আরও ৫টি প্রবন্ধকে ২০ হাজার টাকা করে ‘অ্যাওয়ার্ড অব অ্যাপ্রিসিয়েশন’ প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাকের চেয়ারপারসন ও সিনিয়র ট্রাস্টি ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে মানসম্মত গবেষণার বিকল্প নেই। আইসিএমএবি পেশাজীবী ও গবেষকদের মধ্যে যে সেতুবন্ধন তৈরি করছে, তা দেশের টেকসই উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে।
আইসিএমএবি সভাপতি মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, গবেষণা হলো তথ্যভিত্তিক নীতি প্রণয়নের মূল ভিত্তি। আমরা এমন গবেষণাকে উৎসাহিত করছি যা বাস্তব সমস্যার সমাধান দেয় এবং বিশ্ব জ্ঞানভাণ্ডারে বাংলাদেশের অবস্থানকে সমৃদ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়ার আরএমআইটি ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. তারেক রানা। তিনি উদীয়মান অর্থনীতিতে হিসাব ও অর্থ গবেষণার বর্তমান ধারা, সীমাবদ্ধতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ.এস.এম. আমানুল্লাহ এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর আবদুল হান্নান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
পুরস্কার বিতরণী শেষে এক মনোজ্ঞ নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। দেশের গবেষণাভিত্তিক চিন্তাধারা ও পেশাগত উৎকর্ষতা এগিয়ে নিতে এই উদ্যোগ এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।