অভ্যন্তরীণ সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে প্রায় পাঁচ মাস পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা থাকার পর চলতি মাসে ভারত তা প্রত্যাহার করে নিলেও আমদানিতে আগ্রহ নেই ব্যবসায়ীদের।
ভারত ৪০ শতাংশ শুল্ক ও ৫৫০ মার্কিন ডলার সর্বনিম্ন রপ্তানি মূল্য নির্ধারণ করায় লোকসানের শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা আগ্রহ হারিয়েছেন।
জানা যায়, ২২ ব্যবসায়ী ২৯ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি পেয়েছেন। তারা বলছেন, এ অবস্থায় আমদানি করলে কেজিতে ৬৮-৭০ টাকা খরচ পড়বে। আর দেশের বাজারে পাইকারি পর্যায়ে পেঁয়াজের দাম ৬০-৬২ টাকা।
তাদের অভিযোগ, আলোচনার মাধ্যমে উভয় দেশে শুল্ক প্রত্যাহার করলে আমদানি সম্ভব হবে। তা না হলে আসছে কোরবানি ঈদে পেঁয়াজের বাজার আবার অস্থির হয়ে পড়তে পারে।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক শাহিনুর রেজা শাহিন জানান, ভারত পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার পর তিনি আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খোলা ও ভারতের রপ্তানিকারকদের সঙ্গে কথা বলাসহ সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন।
কিন্তু ভারত পেঁয়াজের সর্বনিম্ন রপ্তানি মূল্য ৫৫০ মার্কিন ডলার ও ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। সেই সঙ্গে পরিবহন খরচ, বন্দরের খরচ, বাংলাদেশে ১০ শতাংশ শুল্কায়ন করে কেজিতে ৭০-৭২ টাকা খরচ পড়বে।
অথচ দেশের বাজারে ৬০-৬২ টাকা কেজি পেঁয়াজের দাম। এ অবস্থায় আমদানি করে লোকসান গুনতে হবে। তাই লোকসানের শঙ্কায় আর আমদানি করা হয়নি।
ভারত গত বছরের ৭ ডিসেম্বর পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ৩১ মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়। মার্চে অনির্দিষ্টকালের জন্য দ্বিতীয়বারের মতো নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে। চলতি মাসের ৫ তারিখে ওই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়।