আমানত
সংগ্রহের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে সর্বনিম্ন সুদহারের যে নির্দেশনা ছিল
তা তুলে নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে ব্যাংকগুলো নিজেদের ইচ্ছামতো সুদহার নির্ধারণ করতে পারবে এবং সে অনুযায়ী আমানত
জমা নিতে পারবে। মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর)
এক সার্কুলারের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ
থেকে ওই সার্কুলার জারি
করা হয়েছে।২০২১ সালের ৮ আগস্ট জারি
করা সার্কুলারের মাধ্যমে আমানত সংগ্রহে সুদহারের সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল।
এখন মূল্যস্ফীতির
হার ৯ দশমিক ৪৯।এই
পরিমাণ সুদ দিয়ে আমানত সংগ্রহ করতে পারছে না ব্যাংকগুলো। এই
বাস্তবতায় আমানতের সুদহারের সীমা প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণের সুদহারের সীমা তুলে নেওয়ার পর ঋণের সুদহার
৯ শতাংশ থেকে বেড়ে সাড়ে ১১ শতাংশে উন্নীত
হয়েছে। আমানতের সুদ হারও বাড়িয়েছে ব্যাংকগুলো, যদিও উচ্চ মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে তা করা সম্ভব
হচ্ছিল না।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়, ঋণের সুদহার বাজারভিত্তিক করার লক্ষ্যে ‘এসএমএআরটি’ বা ‘স্মার্ট’ (সিক্স মান্থ মুভিং এভারেজ রেট অব ট্রেজারি বিল)
এর সঙ্গে নির্ধারিত মার্জিন যোগ করে সুদহার নির্ধারণ পদ্ধতি কার্যকর করা হয়েছে।
ডিসেম্বরে
ব্যক্তিগত ও গাড়ি কেনার
ঋণে ব্যাংকগুলো ১২ দশমিক ৪৭
শতাংশ সুদ নিতে পারবে। কারণ, সিএমএসএমই, ব্যক্তিগত ও গাড়ি কেনার
ঋণে অতিরিক্ত ১ শতাংশ তদারকি
বা সুপারভিশন চার্জ নেওয়ার সুযোগ আছে।চলতি বছরের জুলাইয়ে ১৮২ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিলের ৬ মাসের গড়
সুদহার (স্মার্ট রেট) ছিল ৭ দশমিক ১০
শতাংশ, আগস্টে ৭ দশমিক ১৪
শতাংশ এবং সেপ্টেম্বরে বেড়ে হয় ৭ দশমিক
২০ শতাংশ। এছাড়া অক্টোবরে ৭ দশমিক ৪৩
শতাংশ এবং সবশেষ নভেম্বরে স্মার্ট রেট বেড়ে দাঁড়ায় ৭ দশমিক ৭২
শতাংশে।