× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

অক্টোবর থেকে সব মার্চেন্টের বাংলা কিউআর লেনদেনে বাড়তি প্রণোদনা

ন্যাশনাল ট্রিবিউন প্রতিবেদক:

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩০ এএম । আপডেটঃ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৪ এএম

বাংলা কিউআর কোড স্ক্যান করে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করছেন এক গ্রাহক। প্রতিকী ছবি

ডিজিটাল লেনদেনের প্রসারে বাংলা কিউআর কোডের ব্যবহার বাড়াতে এবার সকল ট্রেড লাইসেন্সধারী মার্চেন্টকে প্রণোদনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে কিউআর লেনদেনে কোনো কারিগরি জটিলতার কারণে টাকা আটকে গেলে গ্রাহকের কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ছাড়াই সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটের মধ্যে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরতের কড়া নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে জারি করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এসব যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। আগামী ১ অক্টোবর থেকে বর্ধিত প্রণোদনার সুবিধা কার্যকর হবে, আর লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির নতুন নীতিমালা কার্যকর হবে আগামী ডিসেম্বর থেকে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এতদিন যা কেবল ব্যক্তিগত রিটেইল হিসাবের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতারা পেতেন, তা এখন ট্রেড লাইসেন্সধারী সকল মার্চেন্ট পয়েন্টে সম্প্রসারিত করা হয়েছে। বাংলা কিউআরের মাধ্যমে পরিচালিত সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনে এই সরকারি সুবিধা মিলবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যোগ্য প্রতিটি বাংলা কিউআরভিত্তিক ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশের (এনপিএসবি) লেনদেনে পেমেন্ট গ্রহণকারী (অ্যাকুয়ারিং) প্রতিষ্ঠান শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ এবং কার্ড বা হিসাব প্রদানকারী (ইস্যুয়িং) প্রতিষ্ঠান শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ প্রণোদনা পাবে।

হিসাব অনুযায়ী, ১ হাজার টাকার একটি সফল লেনদেনে দুই প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে মোট ৩ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকার লেনদেনে সর্বসাকুল্যে ৬ টাকা প্রণোদনা দেওয়া হবে। ব্যাংক ও অর্থ প্রদানকারী সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলা কিউআর নেটওয়ার্ক প্রত্যন্ত অঞ্চলে দ্রুত ছড়িয়ে দিতে উদ্বুদ্ধ করাই এই সুবিধার প্রধান লক্ষ্য, তবে সাধারণ গ্রাহকরা এই প্রণোদনা সরাসরি পাবেন না।

অন্যদিকে, বাংলা কিউআর পেমেন্টে স্বচ্ছতা বজায় রাখা ও আটকে যাওয়া টাকা ফেরতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জারি করা অপর নীতিমালায় কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, লেনদেন ব্যর্থ হয়ে গ্রাহকের হিসাব থেকে টাকা কেটে নেওয়া হলে কোনো অভিযোগ ছাড়াই ৩০ মিনিটের মধ্যে তা রিভার্সাল বা ফেরত দিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, একই ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব লেনদেনসংক্রান্ত সাধারণ বিরোধ সর্বোচ্চ তিন কার্যদিবসের মধ্যে এবং ভিন্ন ব্যাংকের ক্ষেত্রে এনপিএসবি ইন্টারঅপারেবল পদ্ধতি ব্যবহার করে দ্রুত সমাধান করতে হবে। কারিগরি ত্রুটি কমাতে প্রতিটি লেনদেন সফল হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাইয়ের বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, "কার্ডের তুলনায় কিউআর লেনদেন অতি দ্রুত সম্পন্ন হয়। ফলে এতে বিলম্ব বা জটিলতা তৈরি হলে প্রান্তিক ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা ডিজিটাল পেমেন্টে আগ্রহ হারাতে পারেন। গ্রাহকের আস্থার সুরক্ষা ও জবাবদিহিমূলক পেমেন্ট ইকোসিস্টেম গড়াই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।"

নতুন নীতিমালা অমান্য করা হলে বা অপ্রয়োজনীয়ভাবে কোনো গ্রাহকের দাবি প্রত্যাখ্যান করা হলে দায়ী ব্যাংক, এমএফএস বা পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারের বিরুদ্ধে ‘বাংলাদেশ পরিশোধ ও নিষ্পত্তি ব্যবস্থা আইন, ২০২৪’ অনুযায়ী কঠোর তদারকি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

রিলায়েন্ট মিডিয়া

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.