× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

ভারতে রপ্তানি ধাক্কা

নতুন বাংলাদেশি পণ্যে শুল্ক বসানোর তোড়জোড়

ন্যশনাল ট্রিবিউন ডেস্ক:

০১ আগস্ট ২০২৬, ০২:১৭ এএম । আপডেটঃ ০১ আগস্ট ২০২৬, ০২:১৮ এএম

ভারত ও বাংলাদেশের পতাকা।

বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া নতুন সম্ভাবনাময় পণ্য পলিইথিলিন টেরেফথালেট (পিইটি) ফিল্মের ওপর অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক বসানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা ডিজিটিআর (বাণিজ্য প্রতিকার মহাপরিদপ্তর)। অস্বাভাবিক কম মূল্যে ভারতে পণ্যটি রপ্তানি করে স্থানীয় বাজার ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগে আগামী ৬ আগস্ট ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে নিয়ে এক শুনানি আয়োজন করেছে সংস্থাটি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এই পদক্ষেপের কারণে তৈরি পোশাক ও পাটজাত পণ্যের পর ভারতের বাজারে আরেকটি বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ার আশঙ্কায় উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে ঢাকা।

শ্রীলঙ্কা, চীন ও থাইল্যান্ডের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে কম দামে পিইটি ফিল্ম ভারতের বাজারে সরবরাহ হচ্ছে—ভারতীয় তিন প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠান চিরিপাল পলি ফিল্মস, ইস্টার ইন্ডাস্ট্রিজ ও ভ্যাকমেট ইন্ডিয়ার এমন অভিযোগ আমলে নিয়ে গত ১৩ জুলাই ডিজিটিআর পক্ষগুলোকে শুনানির নোটিশ পাঠায়। প্রধানত খাদ্য, ওষুধ, প্রসাধনী ও শিল্পপণ্যের প্যাকেজিংয়ে বহুল ব্যবহৃত এই প্লাস্টিক ফিল্মের বাংলাদেশি শীর্ষ উৎপাদক আকিজ বায়াক্স ফিল্মস লিমিটেড এবং নয়াদিল্লির বাংলাদেশ সংস্থাকে পক্ষভুক্ত করা হয়েছে। মূলত এই শুনানিতে উত্থাপিত মৌখিক বক্তব্য ও পরবর্তী লিখিত দলিলাদির ভিত্তিতে চূড়ান্ত শুল্ক সংক্রান্ত সুপারিশ করবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “আমরা পিইটি ফিল্মের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছি এবং ভারতে যাতে অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক না চাপানো হয়, সেজন্য শিগগিরই নতুন করে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হবে।”

আকিজ বশির গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ বশিরউদ্দীন জোর দিয়ে বলেন, “আমাদের রপ্তানি সম্পূর্ণ বাজারভিত্তিক এবং কোনোভাবেই ডাম্পিং বা অস্বাভাবিক কম মূল্যে এখানে পণ্য রপ্তানি করা হচ্ছে না। শুনানিতে আমরা যৌক্তিকভাবেই আমাদের অবস্থান সুস্পষ্ট করার জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছি।” বাৎসরিক প্রায় ১০ হাজার টন পিইটি ফিল্ম ভারতে পাঠানো ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত কারখানাটির মূল লক্ষ্য বৈশ্বিক চাহিদার একটি বড় অংশে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।

বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মতে, পাটজাত পণ্য ও হাইড্রোজেন পারঅক্সাইডের পর পিইটি ফিল্মের ওপর প্রস্তাবিত এই শুল্ক দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ভারসাম্য বিঘ্নিত করবে। বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের উৎপাদকদের ডাম্পিং মূল্যে ভারতে পণ্য বিক্রির কোনো বাস্তবিক সুযোগ নেই। অতীতে রহিমআফরোজের ব্যাটারির ওপর শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে ডব্লিউটিওর (বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা) দ্বিপক্ষীয় আলোচনার কাঠামোর মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়া গিয়েছিল, প্রয়োজনে এবারও একই প্রক্রিয়ায় জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।”

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

রিলায়েন্ট মিডিয়া

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.